বিষাক্ত কফ সিরাপ কাণ্ডের পর ভারতের কঠোর পদক্ষেপ — ওষুধ কারখানাগুলোকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে আর কোনও সময় বাড়ানো হবে না
বিষাক্ত কফ সিরাপ পান করে অন্তত ২৪ শিশুর মৃত্যুর পর, ওষুধ কারখানাগুলোকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার সময়সীমা বাড়াতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে ভারত। কর্তৃপক্ষ কোম্পানির লাইসেন্স বাতিল ও প্রতিষ্ঠাতাকে গ্রেপ্তার করেছে এবং ভবিষ্যতে কঠোর মাননিয়ন্ত্রণের আশ্বাস দিয়েছে।
বিষাক্ত কফ সিরাপ কাণ্ডের পর ভারতের কঠোর পদক্ষেপ — ওষুধ কারখানাগুলোকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে আর কোনও সময় বাড়ানো হবে না
নয়াদিল্লি, ১৭ অক্টোবর — স্থানীয়ভাবে তৈরি কফ সিরাপ পান করে অন্তত ২৪ জন শিশুর মৃত্যুর পর, ওষুধ উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলোর কারখানা আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার শেষ সময়সীমা বাড়ানোর আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে ভারত সরকার।
সরকারি পরীক্ষায় ডাইইথিলিন গ্লাইকল (DEG) নামের এক প্রাণঘাতী রাসায়নিক পাওয়া গেছে Coldrif সিরাপে, যা তৈরি করেছিল Sresan Pharmaceutical Manufacturer। কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে কোম্পানিটির লাইসেন্স বাতিল করেছে, পণ্য নিষিদ্ধ করেছে এবং প্রতিষ্ঠাতাকে হত্যা-অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে।
এই ঘটনার পর ভারতে ওষুধের মাননিয়ন্ত্রণ নিয়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকার যদি আগেই কঠোরভাবে নিয়ম প্রয়োগ করত, তবে এমন মর্মান্তিক মৃত্যু এড়ানো যেত।
“বিশ্বের ফার্মেসি” হিসেবে খ্যাত ভারতের ওষুধ শিল্পের সুনাম ইতিমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আফ্রিকা, মধ্য এশিয়া ও এখন ভারতের শিশু মৃত্যুর ঘটনায়।
ছোট কোম্পানিগুলো খরচের অজুহাতে সময়সীমা বাড়ানোর দাবি করলেও সরকার বলেছে, “এটি আর বাড়ানো যাবে না — মানুষ মারা যাচ্ছে।”
সারা দেশে ওষুধ কারখানা ও ফার্মেসিতে অভিযান চলছে, এবং দূষিত সিরাপ জব্দ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
(রয়টার্স)
।