প্রাণভয়ে আড়ালে ট্রাম্পের ছোট ছেলে ব্যারন, বাড়ছে নিরাপত্তা উদ্বেগ
প্রাণভয়ে লোকচক্ষুর আড়ালে ট্রাম্পের ছোট ছেলে ব্যারন, ইরানি হুমকিতে বাড়ছে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ ও আতঙ্ক তাঁর পরিবারে।
প্রাণভয়ে আড়ালে ট্রাম্পের ছোট ছেলে ব্যারন, বাড়ছে নিরাপত্তা উদ্বেগ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছোট ছেলে ব্যারন ট্রাম্প নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কারণে জনসম্মুখ থেকে নিজেকে অনেকটাই গুটিয়ে নিয়েছেন। ২০ বছর বয়সী এই তরুণ বর্তমানে নিউইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং সাম্প্রতিক সময়ে খুব সীমিত পরিসরে চলাফেরা করছেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
শুক্রবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের ওপর একাধিক হত্যাচেষ্টার ঘটনা এবং পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক হুমকি ব্যারনের ওপরও প্রভাব ফেলেছে। গ্রীষ্মের বড় একটি সময় তিনি নিউ জার্সির বেডমিনস্টারে ট্রাম্প ন্যাশনাল গলফ ক্লাবে মা মেলানিয়া ট্রাম্পের সঙ্গে কাটিয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ব্যারন সাধারণত জনসম্মুখে আসা এড়িয়ে চলেন এবং ব্যক্তিগত জীবনকে গণমাধ্যমের নজর থেকে দূরে রাখতে পছন্দ করেন। তার মা মেলানিয়া ট্রাম্পও ছেলের ব্যক্তিগত জীবন ও চলাফেরা নিয়ে সংবাদমাধ্যমকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
ব্যারনের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে ইরানি রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারে একটি বিতর্কিত ভিডিও প্রচারের পর। ভিডিওটির শিরোনাম ছিল ‘হোয়্যার টু কিল ব্যারন ট্রাম্প?’। এতে ব্যারনের চলাফেরা ও সম্ভাব্য অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন দাবি তুলে ধরা হয় এবং তাকে হত্যার জন্য ১০ মিলিয়ন ডলারের পুরস্কারের কথা বলা হয়।
তবে ভিডিওতে করা এসব দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। মার্কিন সিক্রেট সার্ভিস জানিয়েছে, তারা ভিডিওটির বিষয়ে অবগত এবং নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচিত যেকোনো বিষয় তদন্ত করে। তবে নিরাপত্তাজনিত কারণে ব্যারনের সুরক্ষা ব্যবস্থা বা গোয়েন্দা তথ্য নিয়ে বিস্তারিত জানাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে সংস্থাটি।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের এই প্রচারকে ট্রাম্প পরিবারের বিরুদ্ধে চলমান হুমকির নতুন মাত্রা হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর আগে ট্রাম্প ও তার স্ত্রী মেলানিয়াকেও লক্ষ্য করে ইরান-সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমে হুমকিমূলক প্রচারণার খবর প্রকাশিত হয়েছে।
নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে ব্যারন ট্রাম্পের ব্যক্তিগত জীবন এখন আগের চেয়ে আরও বেশি গোপনীয়তার মধ্যে চলে গেছে। তার মা মেলানিয়া এবং মার্কিন নিরাপত্তা সংস্থাগুলোও তার নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।