ইরানের দাবি, তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতার ৭৫% এখনো অক্ষত
ইরানের সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতার ৭৫ শতাংশ এখনো অক্ষত এবং ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। দেশটির এক জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনাকে এ তথ্য জানিয়েছেন
ইরানের দাবি, তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতার ৭৫% এখনো অক্ষত
ইরানের সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতার ৭৫ শতাংশ এখনো অক্ষত এবং ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। দেশটির এক জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনাকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
ইরানের সেনাবাহিনীর নির্বাহী বিষয়ক উপ-প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলিরেজা শেখ বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা তাদের দাবির মতো কার্যকর হয়নি।
তিনি দাবি করেন, “ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতার ৭৫ শতাংশেরও বেশি এখনো অক্ষত এবং প্রস্তুত রয়েছে।” তিনি আরও বলেন, ইরানের ড্রোন বহর “শত্রুর জন্য দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে।”
অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত মাসে বলেছিলেন, মার্কিন হিসাব অনুযায়ী ইরানের হাতে তাদের ক্ষেপণাস্ত্রের মাত্র ২২ শতাংশ অবশিষ্ট রয়েছে।
জুলাইয়ে এনবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “আমরা জানি তাদের ড্রোন কোথায় আছে এবং আমরা জানি তাদের ড্রোন কারখানাগুলো কোথায়। বেশিরভাগ ড্রোন কারখানা ধ্বংস করা হয়েছে… এবং ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্রগুলোর বেশিরভাগও ধ্বংস করা হয়েছে।”
তিনি বলেন, ইরানের হাতে এখনো কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন রয়েছে। তবে তার দাবি, “সম্ভবত তাদের ক্ষেপণাস্ত্রের ২১ বা ২২ শতাংশ” অবশিষ্ট আছে।
তবে সংঘাতের প্রথম কয়েক সপ্তাহে ইরান থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গিয়েছিল। এ বিষয়টি ইঙ্গিত করে যে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণকেন্দ্র ও সামরিক অবকাঠামোয় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা কিছুটা হলেও কার্যকর হয়েছে।
তবে ইরানের নতুন দাবির সঙ্গে মার্কিন হিসাবের বড় ধরনের পার্থক্য রয়েছে। ফলে দেশটির প্রকৃত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা কতটা অবশিষ্ট আছে, তা স্বাধীনভাবে যাচাই করা কঠিন।