‘অ্যান্টি-ওয়েপনাইজেশন’ তহবিল কার্যত শেষ: ট্রাম্প।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, বহুল আলোচিত ‘অ্যান্টি-ওয়েপনাইজেশন ফান্ড’ কার্যত আর নেই। তবে তিনি আক্ষেপ করে বলেন, অন্যায়ভাবে হয়রানির শিকার হওয়া ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য তিনি এই তহবিল চালু রাখতে চেয়েছিলেন। এদিকে এই তহবিলকে ঘিরেই আটকে আছে ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্ল্যাঞ্চের স্থায়ী নিয়োগ।

‘অ্যান্টি-ওয়েপনাইজেশন’ তহবিল কার্যত শেষ: ট্রাম্প।

‘অ্যান্টি-ওয়েপনাইজেশন’ তহবিল কার্যত শেষ: ট্রাম্প।


যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তার প্রস্তাবিত ১.৮ বিলিয়ন ডলারের ‘অ্যান্টি-ওয়েপনাইজেশন’ তহবিল এখন কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে। তবে তিনি দাবি করেন, রাজনৈতিকভাবে লক্ষ্যবস্তু হওয়া ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ দিতে এই তহবিল চালু রাখার পক্ষে তিনি ছিলেন।

ক্যাম্প ডেভিডে এক মন্ত্রিসভার বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, “তহবিলটি এখন আর নেই। তবে আমি চাইতাম এটি থাকুক। অনেক মানুষ ভয়াবহভাবে হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হয়েছে। আমি চাই তাদের সেই কষ্টের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হোক।”

এই মন্তব্য এমন সময় এলো, যখন ভারপ্রাপ্ত মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্ল্যাঞ্চের স্থায়ী নিয়োগ মার্কিন সিনেটে রিপাবলিকানদের মধ্যেই বিরোধিতার মুখে পড়েছে।

রিপাবলিকান সিনেটর জন কর্নিন এবং থম টিলিস লিখিত নিশ্চয়তা চাইছেন যে বিচার বিভাগ ভবিষ্যতে এই তহবিল বাস্তবায়ন করবে না। তাদের অভিযোগ, এই তহবিল করদাতাদের অর্থ ব্যবহার করে ট্রাম্প-সমর্থকদের পুরস্কৃত করার একটি রাজনৈতিক ব্যবস্থা হয়ে উঠতে পারে।

টড ব্ল্যাঞ্চ সিনেটে জানিয়েছেন যে তহবিলটি কার্যকর নয়, তবে তিনি এখনো লিখিতভাবে সেই নিশ্চয়তা দিতে সম্মত হননি।

ট্রাম্প সিনেট সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, তারা যদি ব্ল্যাঞ্চকে অনুমোদন না দেন, তাহলে ভবিষ্যতে তার মতো যোগ্য কাউকে আর পাবেন না। একই সঙ্গে তিনি সিনেটর জন কর্নিনের সমালোচনা করে বলেন, কর্নিন আগে ব্ল্যাঞ্চকে সমর্থন করলেও তিনি কর্নিনের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীকে সমর্থন দেওয়ার পর অবস্থান বদলে ফেলেছেন।

এদিকে সিনেটে মনোনয়ন আটকে থাকলেও, মার্কিন আইনে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে টড ব্ল্যাঞ্চ তার মনোনয়ন ঝুলে থাকা পর্যন্ত দায়িত্ব পালন চালিয়ে যেতে পারবেন।

উল্লেখ্য, ‘অ্যান্টি-ওয়েপনাইজেশন’ তহবিলটি ট্রাম্প ও যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের মধ্যে একটি আইনি সমঝোতার অংশ হিসেবে প্রস্তাব করা হয়েছিল। ট্রাম্পের দাবি, ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারির ক্যাপিটল হামলার পর অনেক সমর্থক রাজনৈতিকভাবে হয়রানির শিকার হয়েছেন এবং তাদের সহায়তার জন্যই এই তহবিলের পরিকল্পনা করা হয়।

তবে সমালোচকদের মতে, এটি ছিল ট্রাম্প-সমর্থকদের সরকারি অর্থে আর্থিক সুবিধা দেওয়ার একটি বিতর্কিত উদ্যোগ।

সিএসবি নিউজ-এর আরও খবর