ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ, সরকারে বড় রদবদলের ঘোষণা জেলেনস্কির
ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী ইউলিয়া সভিরিদেঙ্কো রোববার পদত্যাগ করেছেন। একই দিনে প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সরকারে নতুন করে বড় ধরনের রদবদলের ঘোষণা দিয়ে জানান, তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে একটি নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বের প্রস্তাব দিয়েছেন
ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ, সরকারে বড় রদবদলের ঘোষণা জেলেনস্কির
ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী ইউলিয়া সভিরিদেঙ্কো রোববার পদত্যাগ করেছেন। একই দিনে প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সরকারে নতুন করে বড় ধরনের রদবদলের ঘোষণা দিয়ে জানান, তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে একটি নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বের প্রস্তাব দিয়েছেন।
যুদ্ধকালীন সামরিক আইন বলবৎ থাকায় ইউক্রেনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। এ কারণে জেলেনস্কি দায়িত্বে বহাল রয়েছেন এবং প্রশাসনে নতুন গতি আনতে সময়ে সময়ে মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন এনে থাকেন।
অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করা সভিরিদেঙ্কো ২০২৫ সালের জুলাইয়ে মাত্র ৩৯ বছর বয়সে প্রধানমন্ত্রী হন। তিনি ইউক্রেন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ (মিনারেলস) চুক্তি সম্পন্ন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ওই চুক্তিকে ইউক্রেনের নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থকে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে সভিরিদেঙ্কো বলেন, আধুনিক ইউক্রেনের ইতিহাসের অন্যতম কঠিন সময়ে সরকার পরিচালনার সুযোগ পাওয়ায় তিনি গর্বিত। তিনি আরও জানান, প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির সঙ্গে ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে, তবে বিস্তারিত কিছু জানাননি।
তিনি বলেন,
“ইউক্রেনের রাষ্ট্রের সেবায় এবং দেশের অবস্থান শক্তিশালী করা, জাতীয় স্বার্থ রক্ষা এবং ন্যায়সঙ্গত শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে যে কোনো দায়িত্ব পালনে আমি প্রস্তুত।”
অন্যদিকে জেলেনস্কি এক পোস্টে জানান, ইউক্রেন তার রাজনৈতিক কৌশল পরিবর্তন করছে। তিনি বলেন, সভিরিদেঙ্কোকে একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক অংশীদারের সঙ্গে ইউক্রেনের সম্পর্ক পরিচালনার জন্য নতুন একটি গুরুত্বপূর্ণ খাতের নেতৃত্ব দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
জেলেনস্কির ভাষায়,
“পররাষ্ট্রনীতির প্রতিটি অগ্রাধিকার খাত এমন ব্যক্তির হাতে দেওয়া হবে, যার পর্যাপ্ত অভিজ্ঞতা রয়েছে এবং যিনি রাষ্ট্রনেতাদের পর্যায়ে হওয়া সমঝোতা ও ইউক্রেনের জনগণের প্রত্যাশা বাস্তবায়নে সক্ষম।”
সরকারি এই রদবদলের মাধ্যমে ইউক্রেনের কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে নতুন গতি আনার লক্ষ্য রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।