ইসলামাবাদ থেকে শুভেচ্ছা বার্তা: ঢাকা সম্মেলনে পাকিস্তান-বাংলাদেশ সম্পর্ক জোরদারের আহ্বান মাওলানা ফজলুর রহমানের
সম্মেলনের মূল বিষয়বস্তু নবুয়তের চূড়ান্ততার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, “পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মুসলমানরা একই উম্মাহর সদস্য। উপমহাদেশের সব আলেমই একমত—হযরত মুহাম্মদ (সা.)–এর পরে নবুয়ত দাবি করলে সে ব্যক্তি ইসলামের বহির্ভূত।”
ইসলামাবাদ থেকে শুভেচ্ছা বার্তা: ঢাকা সম্মেলনে পাকিস্তান-বাংলাদেশ সম্পর্ক জোরদারের আহ্বান মাওলানা ফজলুর রহমানের
পাকিস্তানের জামিয়াত উলেমা-ই-ইসলাম (ফজল)–এর আমির মাওলানা ফজলুর রহমান রবিবার ঢাকায় এক ধর্মীয় সমাবেশে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে আরও গভীর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “বিশ্বাসের ঐক্য দুই দেশের মধ্যে এমন একটি বন্ধন, যা কোনভাবেই বিচ্ছিন্ন করা যাবে না।”
ঢাকার সুহরাওয়ার্দী মাঠে অনুষ্ঠিত খতমে নবুয়ত সম্মেলনে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে গণমানুষের অধিকার ও সক্রিয়তার শক্তিশালী উদাহরণ তৈরি করেছে। তবে ধর্মীয় আন্দোলন কখনো সহিংসতার পক্ষে নয়, বরং ধারাবাহিকতা, স্থিতিশীলতা ও আদর্শের প্রতি দৃঢ়তা রক্ষাই তাদের লক্ষ্য।
মাওলানা ফজল জানান, তাদের পাকিস্তানি প্রতিনিধি দল শুধু অনুষ্ঠানে অংশ নিতে নয়, বরং পাকিস্তানের জনগণের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের জনগণের জন্য শুভেচ্ছা বার্তা নিয়ে এসেছে।
সম্মেলনের মূল বিষয়বস্তু নবুয়তের চূড়ান্ততার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, “পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মুসলমানরা একই উম্মাহর সদস্য। উপমহাদেশের সব আলেমই একমত—হযরত মুহাম্মদ (সা.)–এর পরে নবুয়ত দাবি করলে সে ব্যক্তি ইসলামের বহির্ভূত।”
দুই দেশের সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ এক পা এগোলে, পাকিস্তান দুই পা এগিয়ে আসবে।” মাওলানা ফজলের মতে, পারস্পরিক শুভেচ্ছা, বিশ্বাস ও বন্ধুত্ব আগামী দিনে আরও সুদৃঢ় হবে।
সমাবেশে অংশগ্রহণকারীদের হাতে ফিলিস্তিনের পতাকাও দেখা গেছে, যা আন্তর্জাতিক মুসলিম সংহতির প্রতীক হিসেবে নজর কেড়েছে।