যুক্তরাষ্ট্রে কর ফরমে নাগরিকত্বের তথ্য চাওয়ার প্রস্তাব, অভিবাসী পরিবারে নতুন উদ্বেগ বাড়ছে
কর জমার ফরমে সম্ভাব্য পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা; প্রবাসী পরিবারগুলোর কর-সুবিধা ও যোগ্যতার নিয়ম জানা জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রে করদাতাদের নাগরিকত্ব ও কাজের অনুমতির অবস্থা সম্পর্কে তথ্য দিতে হতে পারে—এমন একটি প্রস্তাব সামনে এনেছে ট্রাম্প প্রশাসন। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের গত সপ্তাহের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সাল থেকে কর জমার ফরমে এ ধরনের তথ্য চাওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য, এর মাধ্যমে যাঁরা নির্দিষ্ট কর-সুবিধা পাওয়ার যোগ্য নন, তাঁদের অনুপযুক্ত সুবিধা গ্রহণ শনাক্ত করা সহজ হতে পারে।
প্রস্তাবটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ তাঁদের জন্য, যাঁরা যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করেন, নিয়মিত কর জমা দেন এবং সন্তানসহ পরিবারের জন্য কর-সুবিধা পাওয়ার যোগ্যতা যাচাই করেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই পরিবর্তন কার্যকর হলে প্রায় ১৭ লাখ মানুষের ওপর প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাঁদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক সন্তান থাকা কিছু অভিবাসী পরিবারের সদস্যও থাকতে পারেন।
তবে এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এটি একটি প্রস্তাব চূড়ান্তভাবে কার্যকর নিয়ম হিসেবে ধরে নেওয়া উচিত নয়। কর জমা দেওয়া, সামাজিক নিরাপত্তা নম্বর থাকা এবং নির্দিষ্ট কর-সুবিধার যোগ্যতা এগুলো আলাদা বিষয়। নাগরিকত্ব বা অভিবাসন-অবস্থা একাই প্রত্যেক ব্যক্তির কর-দায় বা সুবিধার বিষয়ে পূর্ণ সিদ্ধান্ত দেয় না।
বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য পরামর্শ হলো, কর জমার আগে আইআরএসের সরকারি নির্দেশনা যাচাই করা এবং প্রয়োজন হলে যোগ্য কর-পেশাজীবীর পরামর্শ নেওয়া। বিশেষ করে যাঁদের পরিবারে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক সন্তান রয়েছে বা যাঁরা বিভিন্ন কর-ক্রেডিটের জন্য আবেদন করেন, তাঁদের কোনো নতুন নিয়ম কার্যকর হয়েছে কি না তা নিশ্চিত হওয়া উচিত।





