মোদির নেতৃত্বে ভারত ‘স্থিতিশীলতার দ্বীপ’, বললেন হরিশ সালভে
অস্থির বিশ্বে ভারতের রাজনৈতিক ধারাবাহিকতা ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির প্রশংসা করেছেন হরিশ সালভে। মোদির নেতৃত্বকে প্রবৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতার গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে তুলে ধরেছেন তিনি।
মোদির নেতৃত্বে ভারত ‘স্থিতিশীলতার দ্বীপ’, বললেন হরিশ সালভে
অস্থির ও অনিশ্চিত বৈশ্বিক পরিস্থিতির মধ্যেও ভারতকে ‘স্থিতিশীলতার একটি দ্বীপ’ এবং ‘প্রবৃদ্ধির ইঞ্জিন’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন ভারতের বিশিষ্ট আইনজীবী হরিশ সালভে। এক লেখায় তিনি ভারতের রাজনৈতিক ধারাবাহিকতা, অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বের মধ্যকার সম্পর্ক তুলে ধরেছেন।
হরিশ সালভের বিশ্লেষণে, দীর্ঘ সময় ধরে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ভারতের জন্য একটি সুস্পষ্ট জাতীয় দিকনির্দেশনা তৈরি করেছে। তাঁর মতে, ধারাবাহিক নেতৃত্বের কারণে দেশটি অর্থনীতি, অবকাঠামো, বিনিয়োগ ও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনায় নির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যেতে পারছে।
বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে যখন ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, সংঘাত ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, তখন ভারতের অর্থনীতি তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল অবস্থান ধরে রেখেছে—এমন দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন সালভে। তাঁর মতে, রাজনৈতিক ধারাবাহিকতা বিনিয়োগের পরিবেশ, অর্থনৈতিক পরিকল্পনা এবং দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
মোদির নেতৃত্বে ভারতের পররাষ্ট্রনীতির ধারাবাহিকতার বিষয়টিও নিজের লেখায় তুলে ধরেছেন সালভে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, জাতীয় স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়ে ভারতের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও কূটনৈতিক অবস্থানে একটি নির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা তৈরি হয়েছে। এর ফলে বৈশ্বিক পরিসরে ভারতের ভূমিকা ও অবস্থান নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
তবে হরিশ সালভের এসব মন্তব্য তাঁর ব্যক্তিগত বিশ্লেষণ ও মূল্যায়ন। ভারতের অর্থনৈতিক অগ্রগতি বিচার করতে হলে সরকারি পরিসংখ্যানের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান ও স্বাধীন বিশ্লেষকদের তথ্যও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি কর্মসংস্থান, আয়বৈষম্য, বিনিয়োগ ও অন্যান্য কাঠামোগত চ্যালেঞ্জও দেশটির সামগ্রিক অর্থনৈতিক চিত্রের অংশ।
ভারতের সামনে এখন বড় প্রশ্ন হলো, বর্তমান প্রবৃদ্ধির গতি কতটা দীর্ঘস্থায়ী করা যায় এবং তা কীভাবে আরও বেশি কর্মসংস্থান, বিনিয়োগ ও সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক সুযোগে রূপ দেওয়া সম্ভব হয়। আগামী বছরগুলোতে এসব বিষয়ই বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ অর্থনীতির ভবিষ্যৎ গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।