ইস্ট হারলেমে সংঘর্ষের তিন সপ্তাহ পর ৬৭ বছরের ব্যক্তির মৃত্যু

ইস্ট হারলেমের এক সংঘর্ষের পর বদলে গেল সবকিছু! মাথায় গুরুতর আঘাত পাওয়া ৬৭ বছর বয়সী ব্যক্তি তিন সপ্তাহ চিকিৎসাধীন থাকার পর মারা গেলেন, তদন্তে সামনে আসছে নতুন তথ্য।

ইস্ট হারলেমে সংঘর্ষের তিন সপ্তাহ পর ৬৭ বছরের ব্যক্তির মৃত্যু

ইস্ট হারলেমে সংঘর্ষের তিন সপ্তাহ পর ৬৭ বছরের ব্যক্তির মৃত্যু


নিউইয়র্কের ইস্ট হারলেমে ভয়াবহ এক সংঘর্ষের প্রায় তিন সপ্তাহ পর ৬৭ বছর বয়সী এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ আগস্ট রাতে জর্জ ওয়াশিংটন কার্ভার হাউসের কাছে সংঘর্ষে গুরুতর মাথায় আঘাত পাওয়ার পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন এডউইন জিমেনেজ। শুক্রবার মাউন্ট সিনাই মর্নিংসাইড হাসপাতালে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, তার মৃত্যুর সঙ্গে ওই সংঘর্ষে পাওয়া মাথার আঘাতের সম্পর্ক রয়েছে।

পুলিশ জানায়, ২৪ আগস্ট রাত প্রায় পৌনে ১০টার দিকে ইস্ট ১০২তম স্ট্রিট ও সেকেন্ড অ্যাভিনিউ এলাকায় ৬৭ বছর বয়সী জিমেনেজের সঙ্গে ৫২ বছর বয়সী হোসে সান্তিয়াগোর সংঘর্ষ হয়। মারামারির একপর্যায়ে দুজনই গুরুতরভাবে আহত হন। জিমেনেজ মাথায় গুরুতর আঘাত পান, আর সান্তিয়াগো শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছুরিকাঘাতে আহত হন। পরে জরুরি চিকিৎসাকর্মীরা দুজনকেই মাউন্ট সিনাই মর্নিংসাইড হাসপাতালে নিয়ে যান।

হাসপাতালে নেওয়ার সময় জিমেনেজের অবস্থা ছিল সংকটজনক। অন্যদিকে সান্তিয়াগোর অবস্থা তুলনামূলক স্থিতিশীল ছিল। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সংঘর্ষের পর দুজনকেই গ্রেপ্তার করা হয়। জিমেনেজের বিরুদ্ধে হামলা এবং অস্ত্র রাখার অভিযোগ আনা হয়েছিল, আর সান্তিয়াগোর বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ ছিল। তবে ঠিক কী কারণে তাদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়েছিল, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো বিস্তারিত কারণ প্রকাশ করেনি।

জিমেনেজের মৃত্যুর পর ঘটনাটি আরও গুরুতর আইনি রূপ নিয়েছে। বর্তমানে পুলিশ ও তদন্তকারীরা পুরো ঘটনার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছেন। নিউইয়র্ক পুলিশের বিশেষ তদন্ত বিভাগ ঘটনাটি তদন্ত করছে। একই সঙ্গে নগরীর প্রধান চিকিৎসা পরীক্ষকের কার্যালয় তার মৃত্যুর আনুষ্ঠানিক কারণ নির্ধারণের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। মৃত্যুর কারণ ও সংঘর্ষে পাওয়া আঘাতের সম্পর্ক নিশ্চিত হওয়ার পর মামলায় থাকা অভিযোগ পরিবর্তিত হতে পারে।

ঘটনাটি ঘটেছিল কার্ভার হাউসের ঠিক বাইরে, ইস্ট হারলেমের একটি বড় সরকারি আবাসন এলাকায়। কয়েক সপ্তাহ চিকিৎসাধীন থাকার পর একজন ৬৭ বছর বয়সী মানুষের মৃত্যু হওয়ায় ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তদন্ত শেষ হলে সংঘর্ষের প্রকৃত কারণ এবং কার বিরুদ্ধে কী ধরনের আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে, সে বিষয়ে আরও তথ্য সামনে আসতে পারে।

সিএসবি নিউজ-এর আরও খবর