ইরানি শাসকগোষ্ঠী মার্কিন হামলার চেয়েও নিজেদের জনগণকে বেশি ভয় পায়: মানবাধিকারকর্মী সাদেখপুর
ইরানের শাসকগোষ্ঠী শান্তির পথে এগিয়ে যাওয়ার পরিবর্তে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় প্রতিবেশীদের সঙ্গে সংঘাত অব্যাহত রাখতেই বেশি আগ্রহী। এর কারণ হিসেবে নিজেদের ক্ষুব্ধ ও হতাশ জনগণের ওপর নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার প্রয়োজনীয়তাকে দেখছেন এক বিশেষজ্ঞ
ইরানি শাসকগোষ্ঠী মার্কিন হামলার চেয়েও নিজেদের জনগণকে বেশি ভয় পায়: মানবাধিকারকর্মী সাদেখপুর
ইরানের শাসকগোষ্ঠী শান্তির পথে এগিয়ে যাওয়ার পরিবর্তে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় প্রতিবেশীদের সঙ্গে সংঘাত অব্যাহত রাখতেই বেশি আগ্রহী। এর কারণ হিসেবে নিজেদের ক্ষুব্ধ ও হতাশ জনগণের ওপর নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার প্রয়োজনীয়তাকে দেখছেন এক বিশেষজ্ঞ।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনিসহ শাসকগোষ্ঠীর নেতারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সংঘাত অব্যাহত থাকলেও তাতে সন্তুষ্ট—এমন দাবি করেছেন মানবাধিকারকর্মী ও Organization of Iranian-American Communities-এর রাজনৈতিক পরিচালক ড. মাজিদ সাদেঘপুর।
সম্প্রতি হরমুজ প্রণালিতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় বিমান হামলা চালিয়েছে। এর আগে দুই পক্ষের মধ্যে সাময়িকভাবে সংঘাত কিছুটা কমেছিল।
তবে সাদেঘপুরের মতে, ইরানের শাসকগোষ্ঠীর সবচেয়ে বড় উদ্বেগ মার্কিন সামরিক অভিযান নয়; বরং দেশের অভ্যন্তরে জনগণের অসন্তোষ ও সম্ভাব্য গণঅভ্যুত্থান।
তিনি Fox News Digital-কে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তেহরানকে এমন নিশ্চয়তা দিয়েছিল যে তারা ইরানে সরকার পরিবর্তনের চেষ্টা করবে না। কিন্তু এরপরও ইরান জাহাজে হামলা চালিয়েছে এবং জর্ডান ও বাহরাইনে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোতেও হামলা করেছে বলে তিনি দাবি করেন।
সাদেঘপুরের ভাষায়, “এটি প্রমাণ করে যে শাসকগোষ্ঠীর প্রকৃত হুমকি বাইরের বোমা নয়, বরং জনগণের গণঅভ্যুত্থান।”
তার বক্তব্য অনুযায়ী, ইরানের নেতৃত্বের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংঘাত একটি রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবেও কাজ করতে পারে। বহিরাগত শত্রুর বিরুদ্ধে জাতীয় নিরাপত্তার বার্তা তুলে ধরে শাসকগোষ্ঠী অভ্যন্তরীণ অসন্তোষকে নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করতে পারে।
প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়েছে, ইরানের শাসকগোষ্ঠী নিজেদের জনগণের ক্রমবর্ধমান অসন্তোষকে সামাল দেওয়ার ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। ফলে শান্তি প্রতিষ্ঠার পরিবর্তে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতকে তারা নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করতে পারে—এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ওই মানবাধিকারকর্মী।
সূত্রঃ ফক্স নিউজ