ইরানে আকাশপ্রতিরক্ষা জোরদার, সম্ভাব্য হামলা মোকাবিলায় দেশজুড়ে বাড়ানো হয়েছে সামরিক প্রস্তুতি
সম্ভাব্য হামলা ঠেকাতে ইরানে দেশজুড়ে আকাশপ্রতিরক্ষা জোরদার, শত্রুপক্ষের বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র মোকাবিলায় সামরিক প্রস্তুতি বাড়ানো হয়েছে।
ইরানে আকাশপ্রতিরক্ষা জোরদার, সম্ভাব্য হামলা মোকাবিলায় দেশজুড়ে বাড়ানো হয়েছে সামরিক প্রস্তুতি
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা বাড়ার পর ইরান নিজেদের আকাশসীমা সুরক্ষায় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও সক্রিয় করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের মধ্যে সরাসরি হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটেছে, ফলে তেহরানসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সম্ভাব্য বিমান ও ড্রোন হামলা মোকাবিলায় সতর্কতা বাড়ানো হয়েছে।
ইরানের আকাশপ্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিয়ে দেশটির সেনাবাহিনী এর আগেও জানিয়েছে, নতুন করে মোতায়েন করা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তাদের যুদ্ধ সক্ষমতা বাড়িয়েছে এবং শত্রুপক্ষের বিমান মোকাবিলায় সক্ষমতা উন্নত করেছে।
চলমান সংঘাতে ইরানের আকাশপ্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার খবরও এসেছে। একই সঙ্গে ইরান নতুন ও বিকেন্দ্রীভূত আকাশপ্রতিরক্ষা কাঠামো ব্যবহারের দিকে এগিয়েছে বলে বিশ্লেষণে উঠে এসেছে।
সাম্প্রতিক উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের লারাক দ্বীপে হামলা চালানোর পর ইরান জর্ডানে থাকা দুটি মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বলে রয়টার্স জানিয়েছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে আবারও বড় ধরনের সামরিক সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এদিকে হরমুজ প্রণালিকে ঘিরেও পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। সামরিক উত্তেজনার প্রভাবে ওই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে জাহাজ চলাচল কমেছে এবং তেলের সরবরাহ নিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে উদ্বেগ বেড়েছে।
তবে ইরান ‘দেশজুড়ে ব্যাপক প্রস্তুতি’ নিয়েছে—এমন দাবির সব নির্দিষ্ট বিবরণ স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। তাই কোন কোন শহরে কী ধরনের বাহিনী বা অস্ত্র মোতায়েন করা হয়েছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য ছাড়া নির্দিষ্ট দাবি করা ঠিক হবে না।