প্রেমিকার পিছু নিতে পুলিশের ক্যামেরা ২ হাজার বার, কেনটাকিতে গ্রেপ্তার কর্মকর্তা!
প্রেমিকার পিছু নিতে পুলিশের ফ্লক ক্যামেরা ২ হাজার বার ব্যবহার, কেনটাকিতে গ্রেপ্তার কর্মকর্তা—উঠেছে নজরদারির অপব্যবহারের অভিযোগ।
প্রেমিকার পিছু নিতে পুলিশের ক্যামেরা ২ হাজার বার, কেনটাকিতে গ্রেপ্তার কর্মকর্তা!
যুক্তরাষ্ট্রের কেনটাকি অঙ্গরাজ্যে সাবেক প্রেমিকাকে নজরদারি ও তার গতিবিধি অনুসরণ করতে পুলিশের ব্যবহৃত ফ্লক ক্যামেরা ব্যবস্থার অপব্যবহারের অভিযোগে এক পুলিশ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শিভেলি পুলিশ বিভাগের কর্মকর্তা আসাদ জাহির-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি কয়েক মাসে সাবেক প্রেমিকার সঙ্গে সম্পর্কিত দুটি গাড়ির নম্বরপ্লেট ফ্লক সেফটি ক্যামেরা ব্যবস্থায় ২ হাজার ৪৮ বার অনুসন্ধান করেন। তদন্তকারীদের মতে, এসব অনুসন্ধান কেনটাকি ও ইন্ডিয়ানা এলাকায় গাড়িগুলোর চলাচল পর্যবেক্ষণে ব্যবহার করা হয়েছিল।
অভিযোগ রয়েছে, জাহির এসব অনুসন্ধানের কারণ হিসেবে মাদক বা মাদকসংক্রান্ত তদন্তের কথা উল্লেখ করেছিলেন। তবে তদন্তকারীরা এমন কোনো বৈধ তদন্তের প্রমাণ পাননি, যার সঙ্গে ওই নারী বা তার গাড়ির সম্পর্ক ছিল।
আরও গুরুতর বিষয় হলো, তার বিরুদ্ধে সুরক্ষা আদেশ জারি হওয়ার পরও ২৪১ বার ফ্লক ক্যামেরায় অনুসন্ধান করা হয়েছিল বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। ওই সময় সাবেক প্রেমিকার সঙ্গে হয়রানি ও হুমকির অভিযোগও তদন্তে উঠে আসে।
ঘটনার পর জাহিরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং শিভেলি পুলিশ বিভাগ তাকে বেতন ছাড়া সাময়িক বরখাস্ত করেছে। বিভাগটি জানিয়েছে, ঘটনাটি একজন কর্মকর্তার গুরুতর ভুল সিদ্ধান্তের বিষয় এবং ফ্লক প্রযুক্তির ব্যবহারবিধি ও নজরদারি ব্যবস্থা পর্যালোচনা করা হবে।
ফ্লক ক্যামেরা মূলত স্বয়ংক্রিয়ভাবে গাড়ির নম্বরপ্লেট শনাক্ত করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অপরাধ তদন্তে সহায়তা করার জন্য ব্যবহৃত হয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ব্যক্তিগত উদ্দেশ্যে এসব প্রযুক্তির অপব্যবহার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গোপনীয়তা ও নজরদারি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।