সৌদির পর এবার কুয়েতের সঙ্গেও পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা চুক্তি, বাড়ছে সামরিক সহযোগিতা
সৌদির পর এবার কুয়েতের সঙ্গেও পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা চুক্তি, উপসাগরে বাড়ছে ইসলামাবাদের সামরিক ও কৌশলগত প্রভাব।
সৌদির পর এবার কুয়েতের সঙ্গেও পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা চুক্তি, বাড়ছে সামরিক সহযোগিতা
পাকিস্তান ও কুয়েতের মধ্যে প্রতিরক্ষা ও সামরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করতে নতুন একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬ পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে দুই দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মধ্যে ‘প্রোটোকল অ্যাগ্রিমেন্ট-২০২৬’ নামে চুক্তিটি সই হয়।
চুক্তিতে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মুহাম্মদ আসিফ এবং কুয়েতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ আলী আবদুল্লাহ আল-সালেম আল-সাবাহ নিজ নিজ দেশের পক্ষে স্বাক্ষর করেন। কুয়েতের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল পাকিস্তান সফরে গিয়ে এ আলোচনায় অংশ নেয়।
নতুন চুক্তির আওতায় দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে প্রশিক্ষণ, সক্ষমতা বৃদ্ধি, সামরিক দক্ষতা বিনিময় এবং সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে। পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী কুয়েতের সামরিক ও প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রশিক্ষণ এবং সক্ষমতা উন্নয়নে সহায়তা করবে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
কুয়েতের সামরিক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই চুক্তির লক্ষ্য দুই দেশের প্রতিরক্ষা ও সামরিক সহযোগিতাকে আরও বিস্তৃত করা এবং পারস্পরিক সমন্বয় ও সামরিক প্রস্তুতি জোরদার করা।
সাম্প্রতিক সময়ে উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা সম্পর্ক জোরদারের ধারাবাহিকতায় কুয়েতের সঙ্গে এই চুক্তিকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান নিরাপত্তা উত্তেজনার মধ্যেই পাকিস্তান উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে সামরিক ও কৌশলগত সম্পর্ক আরও গভীর করছে।
এর আগে সৌদি আরব ও তুরস্কের সঙ্গে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার হওয়ার পর কুয়েতের সঙ্গে নতুন চুক্তি ইসলামাবাদের উপসাগরীয় অঞ্চলে সামরিক সহযোগিতার পরিধি আরও বাড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে কুয়েত-পাকিস্তান চুক্তিটি সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তানের ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা জোটের মতো পারস্পরিক প্রতিরক্ষা-প্রতিশ্রুতির জোট নয়; এটি মূলত দ্বিপক্ষীয় সামরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের চুক্তি।