← সিএসবি নিউজ ইউএসএ ‹ ০১ জানুয়ারি
০৩ জানুয়ারি › English
শুক্রবার, ০২ জানুয়ারি ২০২৬csbnews.usই-পেপার

সিএসবি নিউজ ইউএসএ

মুক্ত মত প্রকাশের প্লাটফর্ম

বাংলাদেশ

রেমিট্যান্সের বাইরে: নারীর অদৃশ্য ভূমিকা

Desk Report · ০১:২১ অপরাহ্ণ

সাধারণভাবে মনে করা হয়, নারীর আয় বাড়লে পরিবারে তার মর্যাদা ও সিদ্ধান্তগ্রহণের ক্ষমতা বাড়ে। কিন্তু নারী অভিবাসীদের ক্ষেত্রে এই ধারণা প্রায়ই বাস্তবতার সঙ্গে মেলে না। রেমিট্যান্স-নির্ভর পরিবারে অর্থনৈতিক অবদান রাখলেও নারীরা সামাজিক স্বীকৃতি, মানসিক নিরাপত্তা কিংবা পারিবারিক কর্তৃত্ব থেকে বঞ্চিত থাকেন। বাংলাদেশে নারীর শ্রম অভিবাসন কেবল অর্থনৈতিক নয়, বরং এটি গভীর সামাজিক, মানসিক ও সাংস্কৃতিক সংকটের প্রতিফলন—যা এই প্রবন্ধে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। লিঙ্গ, অভিবাসন এবং পরিবারে নারীর ভূমিকার পুনর্বিন্যাস নিয়ে লিখেছেন: ফারজানা ফারায়েজী, উন্নয়নকর্মী

যদিও সাধারণভাবে ধারণা করা হয় যে নারীর আয় তার পারিবারিক অবস্থানকে শক্তিশালী করে, নারী অভিবাসীদের ক্ষেত্রে এই ধারণা সবসময় সত্য নয়। গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশ একটি পুরুষতান্ত্রিক, পিতৃতান্ত্রিক ও পিতৃবাসভিত্তিক সমাজ, যেখানে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ নারী-পুরুষের বিভাজনকে উৎসাহিত করে, শ্রমের কঠোর বিভাজন আরোপ করে এবং পুরুষের শ্রেষ্ঠত্বকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয় (রওনক জাহান, ১৯৯৫)। গ্রামীণ ও পুরুষতান্ত্রিক প্রেক্ষাপটে একজন নারীর বিদেশে কাজ করতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত কখনোই সহজ নয়। এমনকি পরিবার পরিচালনায় সক্রিয় ভূমিকা রাখলেও নারীর অভিবাসন সিদ্ধান্ত সামাজিক, অর্থনৈতিক ও পারিবারিক নানা জটিলতার সঙ্গে জড়িত। এটি প্রমাণ করে যে, গৃহস্থালি গণ্ডির বাইরে সুযোগ খুঁজতে গিয়ে নারীরা এখনও প্রচলিত লিঙ্গভিত্তিক বাধার মুখোমুখি হন। বিএমইটি-এর তথ্যমতে, ২০১৬ সালে বিদেশে কর্মসংস্থানে গিয়েছিলেন ১ লাখ ১৮ হাজার ৮৮ জন নারী। কিন্তু ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ সংখ্যা নেমে এসেছে মাত্র ৪০ হাজার ৮৮ জনে—প্রায় ৬৬ শতাংশ হ্রাস। অনেক ক্ষেত্রে পুরো পরিবার একজন নারী অভিবাসীর আয়ের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। ফলে তার ওপর আর্থিক দায়িত্বের পাশাপাশি সামাজিক প্রত্যাশার ভারও চাপিয়ে দেওয়া হয়। এতে তার ভূমিকা একদিকে অর্থনৈতিকভাবে চাপপূর্ণ, অন্যদিকে সামাজিকভাবে বোঝা হয়ে দাঁড়ায়—যেখানে ক্ষমতায়ন ও…

বিস্তারিত পড়ুন →