সাইপ্রাসের শান্তি নিয়ে জাতিসংঘ-মার্কিন বৈঠক, গুরুত্ব পেল শান্তিরক্ষা কার্যক্রম
সাইপ্রাসে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে জাতিসংঘের চলমান শান্তিরক্ষা কার্যক্রম নিয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূত জন ব্রেসলোর সঙ্গে বৈঠক করেছেন খাসিম দিয়ানে।
সাইপ্রাসের শান্তি নিয়ে জাতিসংঘ-মার্কিন বৈঠক, গুরুত্ব পেল শান্তিরক্ষা কার্যক্রম
সাইপ্রাসে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রম নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত জন এ. ব্রেসলোর সঙ্গে আলোচনা করেছেন জাতিসংঘের শীর্ষ কর্মকর্তা খাসিম দিয়ানে। সম্প্রতি এক সংক্ষিপ্ত বৈঠকে দিয়ানে সাইপ্রাসে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের চলমান কার্যক্রম এবং দ্বীপটিতে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে মিশনের ভূমিকা সম্পর্কে মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করেন।
খাসিম দিয়ানে বর্তমানে সাইপ্রাসে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনী ইউএনএফআইসিওয়াইপির বিশেষ প্রতিনিধি ও প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সাইপ্রাসে জাতিসংঘের এই শান্তিরক্ষা মিশন ১৯৬৪ সাল থেকে কাজ করছে। দ্বীপটির গ্রিক ও তুর্কি সাইপ্রিয়ট-নিয়ন্ত্রিত অংশের মধ্যকার বাফার জোন পর্যবেক্ষণ, উত্তেজনা কমানো এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখাই মিশনের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব।
সাইপ্রাস দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিকভাবে বিভক্ত। দ্বীপটির দুই পক্ষের মধ্যে স্থায়ী সমাধান ও পুনরেকত্রীকরণের প্রচেষ্টায় জাতিসংঘ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। এ কারণে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনের কার্যক্রম শুধু নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; দুই পক্ষের মধ্যে যোগাযোগ ও স্থিতিশীল পরিবেশ বজায় রাখার ক্ষেত্রেও মিশনটি কাজ করে।
জন এ. ব্রেসলো সম্প্রতি সাইপ্রাসে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন। সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি তিনি সাইপ্রাসের প্রেসিডেন্ট নিকোস ক্রিস্টোদুলিদেসের কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর জাতিসংঘের সাইপ্রাস মিশনের প্রধানের সঙ্গে তাঁর এই বৈঠক দ্বীপটির শান্তি, নিরাপত্তা ও জাতিসংঘের চলমান শান্তিরক্ষা প্রচেষ্টা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক যোগাযোগের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বৈঠকটিতে নতুন কোনো চুক্তি বা বড় ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে—এমন তথ্য প্রকাশিত হয়নি। তাই আপাতত এটিকে সাইপ্রাসে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রম সম্পর্কে মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে দেওয়া একটি কূটনৈতিক ব্রিফিং হিসেবেই উল্লেখ করা হচ্ছে।