নিউইয়র্কে আইসিই সহযোগিতা নিয়ে নতুন আইনি লড়াই, ১৫ শেরিফের মামলায় বাড়ছে উত্তেজনা

নিউইয়র্কে আইসিইর সঙ্গে স্থানীয় শেরিফদের সহযোগিতা সীমিত করার আইন নিয়ে আদালতে লড়াই, অভিবাসন নীতি ঘিরে বাড়ছে নতুন আইনি উত্তেজনা।

নিউইয়র্কে আইসিই সহযোগিতা নিয়ে নতুন আইনি লড়াই, ১৫ শেরিফের মামলায় বাড়ছে উত্তেজনা

নিউইয়র্কে আইসিই সহযোগিতা নিয়ে নতুন আইনি লড়াই, ১৫ শেরিফের মামলায় বাড়ছে উত্তেজনা


নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও মার্কিন অভিবাসন কর্তৃপক্ষের মধ্যে সহযোগিতা সীমিত করার নতুন আইন নিয়ে ১৫ জন শেরিফের করা মামলায় আইনি লড়াই আরও জোরালো হয়েছে। 


নতুন অঙ্গরাজ্য আইনে স্থানীয় ও অঙ্গরাজ্য পর্যায়ের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে মার্কিন অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগ কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক চুক্তি সীমিত করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট শেরিফরা দাবি করছেন, এই আইন তাদের আইনগত দায়িত্ব পালনে বাধা সৃষ্টি করছে।


মামলাটি আলবানি অঞ্চলের ফেডারেল আদালতে চলছে। শেরিফদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তাদের কয়েকটি সহযোগিতা চুক্তির আওতায় মূলত অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের হেফাজত থেকে ফেডারেল কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের বিষয় ছিল। তাদের দাবি, এসব কার্যক্রমকে শুধু বেসামরিক অভিবাসন প্রয়োগ হিসেবে দেখা ঠিক নয়। 


অন্যদিকে নিউইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের অবস্থান হলো, স্থানীয় পুলিশ ও কারা কর্তৃপক্ষকে বেসামরিক অভিবাসন প্রয়োগে যুক্ত করা তাদের নিজস্ব জননিরাপত্তার দায়িত্ব থেকে মনোযোগ সরিয়ে দিতে পারে। অঙ্গরাজ্য কর্তৃপক্ষ আইনটির বৈধতা রক্ষার পক্ষে আদালতে যুক্তি দিয়েছে। 


আইনটির আওতাধীন চুক্তিগুলো বাতিলের জন্য ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করা হয়েছে বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে। শেরিফদের বক্তব্য, এর ফলে কিছু স্থানীয় কারাগার ফেডারেল বন্দিদের হেফাজতে রাখার বিনিময়ে যে অর্থ পেত, সেই অর্থও প্রভাবিত হতে পারে। 


বিষয়টি নিউইয়র্কে বসবাসরত অভিবাসীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ফেডারেল অভিবাসন কর্তৃপক্ষের দায়িত্বের সীমা নিয়ে এই মামলার সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে কীভাবে সহযোগিতা করা হবে, তার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। তবে মামলাটি এখনো চলমান এবং আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। 


নিউইয়র্কে বাংলাদেশি অভিবাসীর সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য। শহরের ২০২৬ সালের অভিবাসনসংক্রান্ত প্রতিবেদনে ২০২৩ সালে বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া বাসিন্দার সংখ্যা প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার ৮০০ বলা হয়েছে। ফলে অভিবাসন আইন ও প্রয়োগসংক্রান্ত পরিবর্তন বাংলাদেশি পরিবারগুলোর জন্যও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

সিএসবি নিউজ-এর আরও খবর