যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী শিশুদের পাচার সুরক্ষা নীতিতে বড় পরিবর্তন, বাড়ল বহিষ্কারের আশঙ্কা

অভিবাসী শিশুদের পাচার অভিযোগ যাচাইয়ের নিয়ম বদলাল যুক্তরাষ্ট্র, নতুন নীতিতে আইনি সুরক্ষা পাওয়ার সুযোগ কমার আশঙ্কা নিয়ে বিতর্ক।

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী শিশুদের পাচার সুরক্ষা নীতিতে বড় পরিবর্তন, বাড়ল বহিষ্কারের আশঙ্কা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী শিশুদের পাচার সুরক্ষা নীতিতে বড় পরিবর্তন, বাড়ল বহিষ্কারের আশঙ্কা


যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসন অভিবাসী শিশুদের মানবপাচারের শিকার হওয়ার অভিযোগ যাচাইয়ের পদ্ধতিতে পরিবর্তন এনেছে। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন ব্যবস্থায় শিশুদের দেখভালকারী ব্যক্তিদের পাচারের আশঙ্কা দেখা দিলে আগের মতো সরাসরি মানবপাচারবিষয়ক কার্যালয়ে না জানিয়ে শরণার্থী পুনর্বাসন কার্যালয়ে জানাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই পরিবর্তন নিয়ে অভিবাসী শিশুদের অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলোর মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। 


আগের ব্যবস্থায় মানবপাচারের সম্ভাব্য শিকার হিসেবে কোনো শিশুকে শনাক্ত করা হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে শিক্ষা, পালক পরিবারে আশ্রয় এবং কিছু সরকারি সুবিধা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারত। একই সঙ্গে ওই শনাক্তকরণ পরবর্তী সময়ে আশ্রয় বা নির্দিষ্ট ভিসার আবেদনে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারত। নতুন ব্যবস্থায় এই প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। 


প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আগের ব্যবস্থায় পাওয়া প্রতিবেদনের প্রায় ৯৫ শতাংশকে ফৌজদারি আইনের অর্থে কার্যকর মানবপাচারের ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা যায়নি। তবে মানবপাচারবিরোধী সংগঠন ও সাবেক কর্মকর্তাদের কেউ কেউ বলছেন, নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত দপ্তরের পাচার শনাক্ত করার ক্ষেত্রে আগের দপ্তরের মতো বিশেষায়িত অভিজ্ঞতা নেই। 


এই পরিবর্তন বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে অভিভাবক ছাড়া প্রবেশ করা অপ্রাপ্তবয়স্ক অভিবাসীদের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ তাদের অনেকেই সীমান্ত পার হওয়ার পর সরকারি হেফাজত বা নির্ধারিত আশ্রয় ব্যবস্থার মধ্যে থাকে।

নতুন নিয়মের বাস্তব প্রয়োগ কীভাবে হবে এবং আদালতে এর বিরুদ্ধে কোনো চ্যালেঞ্জ আসে কি না, তা এখন নজরে রয়েছে।

সিএসবি নিউজ-এর আরও খবর