
সিএসবি নিউজ ইউএসএ
মুক্ত মত প্রকাশের প্লাটফর্ম
Saifur Rahman · ০৯:৪১ পূর্বাহ্ণ
বিকল্প বাজার খোঁজা এবং যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ভিয়েতনাম ও ব্রাজিলের মতো দেশে তুলা ও খাদ্যশস্য আমদানি বাড়ানো বাংলাদেশের জন্য জরুরি। নাহলে একতরফা নির্ভরতা অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্বকে দুর্বল করে তুলতে পারে।
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক এক নতুন মোড় নেয়। গত এক বছরে দুই দেশের রাজনৈতিক সম্পর্ক টানাপড়েন, কূটনৈতিক বাকযুদ্ধ এবং পাল্টাপাল্টি পদক্ষেপে চিহ্নিত হয়েছে। দিল্লি ঢাকাকে ভিসা নীতি থেকে শুরু করে বাণিজ্য ও সীমান্ত ইস্যুতে একাধিকবার চাপ দেওয়ার চেষ্টা করেছে। বাংলাদেশের ভেতরে অনেকে এটিকে "দিল্লির আধিপত্যবাদী কৌশল" হিসেবে বর্ণনা করছেন। তবে অর্থনীতির পরিসংখ্যান বলছে ভিন্ন কথা—রাজনৈতিক উত্তেজনা বাণিজ্য সম্পর্ককে বড় ধরনের আঘাত হানতে পারেনি। এবিষয়ে বাংলাদেশের একটি জাতীয় দৈনিক বনিক বার্তা বিস্তারিত সংবাদ প্রকাশ করেছে। অর্থনৈতিক পরিসংখ্যানের চিত্র: ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ভারত বাংলাদেশে রফতানি করেছে প্রায় ১ হাজার ১৪৯ কোটি ডলারের পণ্য, যা আগের বছরের তুলনায় ৩.৭৯% বেশি। অর্থাৎ রাজনৈতিক টানাপড়েনের পরও আমদানির প্রবাহ অটুট থেকেছে, এমনকি কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে খাদ্যশস্য, তুলা, সুতা এবং বিদ্যুৎ আমদানির ক্ষেত্রগুলোয় ভারতের প্রভাব স্পষ্ট। অত্যাবশ্যকীয় পণ্যে ভারতের একচেটিয়া প্রভাব: বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ সংকট তৈরি হলেই ভারতই হয়ে ওঠে প্রধান আমদানির উৎস। সম্প্রতি পেঁয়াজ ও চালের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেলে সরকার আবারো ভারতের ওপর নির্ভর করতে বাধ্য হয়।…
বিস্তারিত পড়ুন →