সরাসরি মানচিত্র, পূর্বাভাস ও জরিপের গড়: PoliAgg (CC BY-SA 4.0)

পূর্ণ ফলাফল, মানচিত্র ও জরিপ
ব্রেকিং
জ্বালানি তেলের চাপ ও ফেডের সুদের শঙ্কায় বিশ্ববাজারে আবারও কমল সোনার দামঅভিবাসন আবেদন অনলাইনে জমার সুযোগ বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, কাগজপত্র পাঠানোর ঝামেলা কমবেস্কুলে যাওয়ার পথে শিক্ষার্থীদের থামাল অভিবাসন কর্মকর্তারা, নর্থ বার্গেনে ক্ষোভনিউইয়র্কে গরবার তালে মেয়র মামদানি, ভারতীয়দের উৎসবে মাতলেন নাচে!হরমুজ সংকটেও ইরাকের তেল রপ্তানি দৈনিক ৩৪ লাখ ব্যারেল ছাড়াল, বিকল্প রুটে বাড়ছে সরবরাহ

জ্বালানি তেলের চাপ ও ফেডের সুদের শঙ্কায় বিশ্ববাজারে আবারও কমল সোনার দাম

জ্বালানি তেলের অস্থিরতা ও যুক্তরাষ্ট্রের সুদের হার নিয়ে অনিশ্চয়তায় সোনার দাম কমেছে, বিনিয়োগকারীদের নজর এখন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিদ্ধান্তে।

জ্বালানি তেলের চাপ ও ফেডের সুদের শঙ্কায় বিশ্ববাজারে আবারও কমল সোনার দাম
জ্বালানি তেলের চাপ ও ফেডের সুদের শঙ্কায় বিশ্ববাজারে আবারও কমল সোনার দাম

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা এবং যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুদের হারসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে সোনার দাম কমেছে। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবান এই ধাতুর দর সামান্য কমে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে আগামী ২৭ ও ২৮ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের নীতিনির্ধারণী বৈঠকের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। সুদের হার অপরিবর্তিত থাকবে, নাকি পরবর্তী সময়ে আবার বাড়ানো হবে, সেই সম্ভাবনাই এখন সোনার বাজারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক।
আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের ২০ অক্টোবর প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, মঙ্গলবার স্পট মার্কেটে সোনার দাম প্রায় শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ কমে প্রতি ট্রয় আউন্স ৪ হাজার ১২৫ দশমিক ৯০ ডলারে নেমে আসে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে ডিসেম্বর মাসে সরবরাহের জন্য নির্ধারিত সোনার ভবিষ্যৎ চুক্তির দাম প্রায় শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১৪২ দশমিক ৬০ ডলারে দাঁড়ায়। তবে বাজারের দর সারাক্ষণ পরিবর্তিত হয়। ফলে দিনের নির্দিষ্ট সময়ে পাওয়া দর এবং লেনদেন শেষে নির্ধারিত দর এক নাও হতে পারে।

সোনার দামের এই পতনের পেছনে মূলত মূল্যস্ফীতি ও সুদের হার নিয়ে বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ কাজ করছে। সাধারণত অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, যুদ্ধ, রাজনৈতিক অস্থিরতা কিংবা মুদ্রার ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিলে অনেক বিনিয়োগকারী সোনার দিকে ঝোঁকেন। কারণ, দীর্ঘদিন ধরে সোনাকে সম্পদ সংরক্ষণের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু যখন বাজারে ধারণা তৈরি হয় যে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার বাড়াতে পারে, তখন সোনার আকর্ষণ কিছুটা কমে যেতে পারে। এর কারণ, সোনা থেকে নিয়মিত সুদ পাওয়া যায় না। অন্যদিকে সরকারি বন্ডসহ সুদ প্রদানকারী সম্পদে বিনিয়োগ করলে আয় করার সুযোগ থাকে।

এবারের পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছে জ্বালানি তেলের বাজার। মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ এবং জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলার খবর তেলের সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়িয়েছে। রয়টার্সের পৃথক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব ঘটনার কারণে অপরিশোধিত তেলের দাম সাম্প্রতিক সময়ে পাঁচ মাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ের কাছাকাছি উঠেছিল। তবে মঙ্গলবারের লেনদেনে তেলের দাম পরে কিছুটা কমে আসে। অর্থাৎ তেলের বাজারে ঝুঁকি থাকলেও দিনজুড়ে দাম একই দিকে চলেনি।
জ্বালানি তেলের দাম দীর্ঘ সময় বেশি থাকলে পরিবহন, উৎপাদন, বিদ্যুৎ এবং পণ্য সরবরাহের ব্যয় বাড়তে পারে। এসব ব্যয় শেষ পর্যন্ত ভোক্তাপর্যায়ে পণ্যের দাম বাড়ানোর চাপ সৃষ্টি করে। অর্থনীতিতে এই সামগ্রিক মূল্যবৃদ্ধিকেই মূল্যস্ফীতির চাপ হিসেবে দেখা হয়। যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার বাড়ানোর প্রয়োজন অনুভব করতে পারে। ঋণের ব্যয় বাড়িয়ে ভোগ ও বিনিয়োগের চাহিদা নিয়ন্ত্রণ করা এর একটি প্রচলিত পদ্ধতি। তবে সুদের হার বাড়ালে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধীর হওয়ার ঝুঁকিও থাকে। এ কারণে নীতিনির্ধারকদের সামনে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল রাখার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার চ্যালেঞ্জ রয়েছে।
রয়টার্সের ২০ অক্টোবরের অর্থনীতিবিষয়ক জরিপেও ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, অধিকাংশ অর্থনীতিবিদ অক্টোবরের বৈঠকে সুদের হার অপরিবর্তিত থাকার প্রত্যাশা করছেন। তবে ডিসেম্বর মাসে আবার সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা জোরালো রয়েছে। একই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জরিপে অংশ নেওয়া ১০০ অর্থনীতিবিদের মধ্যে ৯৪ জন অক্টোবরের বৈঠকে সুদের হার অপরিবর্তিত থাকার পূর্বাভাস দিয়েছেন। এই হিসাব অর্থনীতিবিদদের মতামতভিত্তিক জরিপ; এটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়।

বাজারের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ডিসেম্বর মাসে সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের হিসাব। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বাজারের পূর্বাভাসে ডিসেম্বর মাসে সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা ৯২ শতাংশের কাছাকাছি থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে বাজারের এই অনুমান সময়ের সঙ্গে বদলাতে পারে। মূল্যস্ফীতির নতুন তথ্য, কর্মসংস্থানের অবস্থা, জ্বালানি তেলের দাম এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের বক্তব্যের ওপর ভবিষ্যৎ প্রত্যাশা নির্ভর করবে।

বিনিয়োগকারীরা এখন যুক্তরাষ্ট্রের ব্যক্তিগত ভোগব্যয় মূল্যসূচকের দিকেও বিশেষ নজর রাখছেন। এই সূচকটি দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পছন্দের মূল্যস্ফীতি পরিমাপকগুলোর মধ্যে অন্যতম। সাধারণ মানুষ পণ্য ও সেবা কিনতে কত ব্যয় করছেন এবং সেই ব্যয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত দাম কীভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে, তা বোঝার ক্ষেত্রে সূচকটি গুরুত্বপূর্ণ। মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রত্যাশার চেয়ে বেশি হলে সুদের হার দীর্ঘ সময় উঁচুতে রাখার যুক্তি শক্তিশালী হতে পারে। বিপরীতে মূল্যস্ফীতির চাপ কমার লক্ষণ পাওয়া গেলে ভবিষ্যতে সুদের নীতি সহজ করার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা বাড়তে পারে।
তবে সুদের হার নিয়ে প্রত্যাশাই সোনার দামের একমাত্র চালিকাশক্তি নয়। মার্কিন ডলারের শক্তি, সরকারি বন্ডের আয়, বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সোনা কেনা, বিনিয়োগ তহবিলের লেনদেন এবং যুদ্ধ বা রাজনৈতিক সংকটের মতো বিষয়ও বাজারকে প্রভাবিত করে। ডলারের মূল্য বাড়লে অন্য মুদ্রায় সোনা কেনা তুলনামূলক ব্যয়বহুল হয়ে যায়। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার চাহিদায় চাপ তৈরি হতে পারে। আবার বড় ধরনের সংকট দেখা দিলে বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ সম্পদের খোঁজে সোনা কিনতে পারেন। তাই একই সময়ে একাধিক বিপরীতমুখী প্রভাব কাজ করায় সোনার দাম কোন দিকে যাবে, তা নিশ্চিতভাবে বলা কঠিন।
এদিকে জাপানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর কাজুও উয়েদার বক্তব্যও আন্তর্জাতিক বাজারের নজরে রয়েছে। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি বলেছেন, জাপানে অন্তর্নিহিত মূল্যস্ফীতি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ২ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রার বেশ কাছাকাছি রয়েছে। এই পরিস্থিতি দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভবিষ্যৎ সুদের হার বাড়ানোর সুযোগের ইঙ্গিত দিতে পারে। তবে জাপানের সুদের নীতি সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে দেশটির মূল্যস্ফীতি, মজুরি বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং অন্যান্য অর্থনৈতিক তথ্যের ওপর।

মঙ্গলবার অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর বাজারেও ওঠানামা দেখা গেছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে স্পট মার্কেটে রুপার দাম প্রায় ১ দশমিক ৪ শতাংশ বাড়ার কথা বলা হয়েছে। একই সময়ে প্লাটিনামের দাম প্রায় ১ শতাংশ বেড়েছে এবং প্যালাডিয়ামের দাম প্রায় ১ দশমিক ৩ শতাংশ কমেছে। এই তথ্যগুলো থেকে বোঝা যায়, মূল্যবান ধাতুর বাজারে সব ধাতুর দাম একই দিকে চলেনি। প্রতিটি ধাতুর শিল্পে ব্যবহার, সরবরাহ, চাহিদা এবং বিনিয়োগের ধরন আলাদা হওয়ায় তাদের দামের পরিবর্তনও ভিন্ন হতে পারে।

বাংলাদেশের স্বর্ণবাজারের ক্ষেত্রেও আন্তর্জাতিক বাজারের পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ। তবে বিশ্ববাজারে এক দিনের দরপতন হলেই দেশের বাজারে সঙ্গে সঙ্গে একই হারে দাম কমে যায় না। বাংলাদেশে স্বর্ণের স্থানীয় মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক বাজারের দর ছাড়াও ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময়মূল্য, স্থানীয় বাজারে খাঁটি সোনার সরবরাহ, আমদানি ও সংশ্লিষ্ট ব্যয় এবং বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির নির্ধারিত মূল্য বিবেচনায় আসে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামা এবং দেশের অলংকারের দামের পরিবর্তনের মধ্যে সময়ের ব্যবধান থাকতে পারে।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির সর্বশেষ প্রকাশিত মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ১৩ অক্টোবর থেকে কার্যকর দরে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ১৭ হাজার ৭৬৭ টাকা। ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৮৭ হাজার ৩২ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ লাখ ৫২ হাজার ৭৯৮ টাকা। ওই দিন সমিতি ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়েছিল।

তবে একটি বিষয় স্পষ্ট করা প্রয়োজন। ২০ অক্টোবর আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দর কমার খবর প্রকাশিত হলেও বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি ওই দিন নতুন মূল্য ঘোষণা করেছে কি না, তা যাচাই করা তথ্য থেকে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তাই ১৩ অক্টোবরের মূল্যতালিকাকে ২০ অক্টোবরের নতুন ঘোষিত দর হিসেবে উপস্থাপন করা ঠিক হবে না। নতুন ঘোষণা না থাকলে আগের নির্ধারিত মূল্য কার্যকর থাকতে পারে। স্বর্ণালংকার কেনার সময় নির্ধারিত মূল্যের পাশাপাশি মজুরি, নকশা তৈরির খরচ এবং প্রযোজ্য কর যোগ হতে পারে। ফলে দোকানে চূড়ান্ত মূল্য কিছুটা বেশি হতে পারে।
ক্রেতাদের জন্য বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, বিশ্ববাজারের এক দিনের দরপতন দেখে দ্রুত সিদ্ধান্ত না নেওয়া। যারা বিয়ের গয়না বা অন্য প্রয়োজনে স্বর্ণ কিনতে চান, তাঁদের উচিত বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির সর্বশেষ মূল্যতালিকা যাচাই করা এবং একাধিক দোকানের চূড়ান্ত মূল্য তুলনা করা। একই সঙ্গে ভরির ওজন, ক্যারেট, অলংকারের মজুরি এবং বিক্রির সময় সম্ভাব্য কর্তনের বিষয়গুলোও জেনে নেওয়া দরকার।

অন্যদিকে যাঁরা বিনিয়োগের জন্য সোনা কিনতে চান, তাঁদের মনে রাখতে হবে যে সোনার দাম সব সময় বাড়ে না। সুদের হার বৃদ্ধি, ডলারের শক্তিশালী অবস্থান এবং বাজারে তারল্যের পরিবর্তন সোনার দামে চাপ সৃষ্টি করতে পারে। আবার যুদ্ধ, অর্থনৈতিক অস্থিরতা কিংবা মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়লে সোনার চাহিদা বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও থাকে। স্বল্পমেয়াদি ওঠানামার ভিত্তিতে লাভের নিশ্চয়তা ধরে নেওয়া তাই ঝুঁকিপূর্ণ।


ট্যাগ: সোনার দামবিশ্ববাজারজ্বালানি তেলমূল্যস্ফীতিযুক্তরাষ্ট্রের সুদের হারফেডারেল রিজার্ভবাংলাদেশের স্বর্ণবাজারবাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতিরুপার দাম

প্রতিবেদক

Desk Report

Reporter

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…

সিএসবি নিউজ ইউএসএ ফলো করুন

প্রতিদিন সকালে প্রধান সংবাদ, আর ব্রেকিং নিউজ ঘটার সাথে সাথে। বিনামূল্যে।