সরাসরি মানচিত্র, পূর্বাভাস ও জরিপের গড়: PoliAgg (CC BY-SA 4.0)

পূর্ণ ফলাফল, মানচিত্র ও জরিপ
ব্রেকিং
চীনের নতুন রপ্তানি নিয়ন্ত্রণে চাপে ভারত, ১৮ নভেম্বর থেকে কার্যকর হবে নতুন বিধিনিষেধপশ্চিম তীরে মার্কিন সাংবাদিক ও ইউরোপীয় কূটনীতিকদের ওপর হামলায় ১০ ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারী গ্রেফতারমার্সেইয়ে আজ দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সব ধরনের জনসমাবেশ নিষিদ্ধের ঘোষণাবহিষ্কার ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালতে মাহমুদ খালিদ, নতুন মোড় আইনি লড়াইয়েফ্রান্স থেকে আলবেনিয়া, ইউরোপজুড়ে বিক্ষোভের আগুন, আট দেশের দাবিতে বাড়ছে প্রশ্ন

ফ্রান্স থেকে আলবেনিয়া, ইউরোপজুড়ে বিক্ষোভের আগুন, আট দেশের দাবিতে বাড়ছে প্রশ্ন

জীবনযাত্রার ব্যয়, আবাসনসংকট ও রাজনৈতিক অসন্তোষে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বিক্ষোভ ছড়িয়েছে; কোথাও সংঘর্ষ, অগ্নিসংযোগ ও গ্রেপ্তারের ঘটনায় বাড়ছে জননিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ।

ফ্রান্স থেকে আলবেনিয়া, ইউরোপজুড়ে বিক্ষোভের আগুন, আট দেশের দাবিতে বাড়ছে প্রশ্ন
ফ্রান্স থেকে আলবেনিয়া, ইউরোপজুড়ে বিক্ষোভের আগুন, আট দেশের দাবিতে বাড়ছে প্রশ্ন

ইউরোপের রাজপথে চলমান অস্থিরতা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি বক্তব্য নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে। বক্তব্যটিতে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, পুরো পৃথিবী কি একই সময়ে নিয়ন্ত্রণ হারানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে? সেখানে ফ্রান্স ও ইতালিতে আগুন জ্বলতে থাকা, আলবেনিয়ায় টানা ছয় দিনের বেশি সংঘর্ষ এবং আরও কয়েকটি দেশে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার কথা বলা হয়েছে। আটটি দেশ, ১১ সেকেন্ডের দৃশ্য এবং ক্ষুব্ধ একটি পৃথিবীর উল্লেখ করে বক্তব্যটি মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। কিন্তু এই বর্ণনার প্রতিটি অংশকে যাচাই করা তথ্য হিসেবে গ্রহণ করার সুযোগ নেই। বিশেষ করে আটটি দেশের পূর্ণ তালিকা, সব ঘটনার নির্দিষ্ট সময় এবং বিক্ষোভগুলোর মধ্যে সরাসরি কোনো যোগসূত্রের প্রমাণ বক্তব্যটিতে দেওয়া হয়নি।

ফ্রান্সের পরিস্থিতি অবশ্য যথেষ্ট উদ্বেগজনক। ১৭ অক্টোবর দেশটির বিভিন্ন শহরে জীবনযাত্রার ব্যয়, সরকারি পরিষেবার মান এবং শিক্ষাব্যবস্থার সমস্যা নিয়ে বড় আকারের বিক্ষোভ হয়। আল জাজিরার প্রকাশিত প্রতিবেদনে ফরাসি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে বলা হয়েছে, ওই দিনের বিক্ষোভে পাঁচ লাখ পঞ্চাশ হাজারের বেশি মানুষ অংশ নিয়েছিলেন। শুরুতে শান্তিপূর্ণ থাকা বিভিন্ন সমাবেশের কিছু অংশ পরে সংঘর্ষ, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগে রূপ নেয়। প্যারিস, মার্সেই, লিওঁ, লিমোজ ও আরও কয়েকটি শহরে দোকানপাট ও সরকারি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়।

লিমোজ শহরে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দেড় শতাব্দীর কাছাকাছি পুরোনো পৌর ভবনটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মার্সেই ও লিল শহরেও সরকারি ভবনে ভাঙচুরের খবর প্রকাশিত হয়েছে। কিছু এলাকায় পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করলে উত্তেজনা আরও বাড়ে। এসব ঘটনা প্রমাণ করে, ফ্রান্সে বিক্ষোভের কিছু অংশ সহিংসতায় রূপ নিয়েছে। তবে পুরো দেশ আগুনে পুড়ছে, এমন আক্ষরিক বর্ণনা বাস্তব পরিস্থিতির পূর্ণ চিত্র তুলে ধরে না। অনেক মানুষ বিক্ষোভে অংশ নিলেও সব সমাবেশ সহিংস ছিল না।

পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় ১৯ অক্টোবর ফ্রান্সের কয়েকটি শহরের নির্দিষ্ট এলাকায় রাতের চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্যারিসের কিছু এলাকায় বিক্ষোভের ওপর নিষেধাজ্ঞা এবং নির্দিষ্ট স্থানে রাতের কারফিউ কার্যকর করা হয়। লিল, দোয়ে, ওয়াতিনিয়ে ও দেনাঁ শহরের কয়েকটি এলাকায় অপ্রাপ্তবয়স্কদের রাতের চলাচলেও বিধিনিষেধ দেওয়া হয়। নিস শহরেও একই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তবে এসব ব্যবস্থা পুরো ফ্রান্সে একযোগে জারি করা জাতীয় জরুরি অবস্থা নয়; নির্দিষ্ট এলাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য স্থানীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
ফরাসি সরকারের সামনে এখন দুটি বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে। প্রথমত, সাধারণ মানুষের ক্ষোভের কারণগুলো মোকাবিলা করা। দ্বিতীয়ত, বিক্ষোভের সুযোগ নিয়ে যারা ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া। প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়াঁ লেকর্নু সহিংসতা উসকে দেওয়ার জন্য উগ্র বামপন্থী গোষ্ঠীগুলোকে দায়ী করেছেন। তবে এই অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ প্রকাশের দাবি তুলেছেন বামপন্থী নেতা জ্যঁ-লুক মেলঁশোঁ। ফলে অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি রাজনৈতিক দোষারোপও দেশটির পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

ইতালিতেও একই সময়ে বিক্ষোভের সহিংস রূপ দেখা গেছে। ১৭ অক্টোবর মিলানের কেন্দ্রীয় এলাকায় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও যুদ্ধবিরোধী প্রতিবাদের অংশ হিসেবে শুরু হওয়া মিছিলের কিছু অংশ পরে উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে। মুখোশ পরা কয়েকজন বিক্ষোভকারী পুলিশের দিকে পাথর ও অন্যান্য বস্তু ছুড়ে মারে। কোথাও কোথাও অস্থায়ী ব্যারিকেডে আগুন দেওয়া হয়। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করে। ইতালির সংবাদ সংস্থার তথ্য উদ্ধৃত করে আল জাজিরা জানিয়েছে, ওই ঘটনায় অন্তত দুই পুলিশ সদস্য আহত হন এবং প্রায় ৫০ জন বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়।

ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি সহিংসতার নিন্দা জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্যের মূল কথা হলো, শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করা নাগরিক অধিকার, কিন্তু শহরে আগুন দেওয়া বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীদের ওপর হামলা গ্রহণযোগ্য নয়। মিলানের মেয়র জিউসেপ্পে সালাও বিক্ষোভকারীদের উত্থাপিত সমস্যাগুলোকে বোধগম্য বলে উল্লেখ করলেও সহিংসতা ও শহরের সম্পদ ধ্বংসের বিরোধিতা করেছেন। এই প্রতিক্রিয়াগুলো দেখায়, সরকার ও স্থানীয় প্রশাসনের সামনে জনঅসন্তোষের কারণ বোঝার পাশাপাশি জননিরাপত্তা রক্ষার প্রশ্নও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
আলবেনিয়ার পরিস্থিতি আরও জটিল রাজনৈতিক মাত্রা ধারণ করেছে। রাজধানী তিরানায় শিক্ষার্থী ও সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীরা প্রধানমন্ত্রী এদি রামার পদত্যাগের দাবিতে রাজপথে নেমেছেন। শিক্ষার ব্যয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের সুযোগ-সুবিধা, কর্মসংস্থানের অভাব এবং দুর্নীতির অভিযোগ আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পাশাপাশি উপকূলীয় এলাকায় একটি বিলাসবহুল পর্যটন প্রকল্প নিয়েও বিতর্ক রয়েছে। প্রকল্পটির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের নাম জড়িয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে প্রকল্প নিয়ে অভিযোগ এবং সেগুলোর আইনগত সত্যতা এক বিষয় নয়; অভিযোগকে প্রমাণিত অপরাধ হিসেবে উপস্থাপন করা যাবে না।
রয়টার্সের ১৭ অক্টোবরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আলবেনিয়ায় শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বাধীন আন্দোলন তখন টানা পঞ্চম দিনের মতো চলছিল। বিক্ষোভকারীদের একটি অংশ পুলিশের দিকে পাথর ছুড়লে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস, জলকামান ও অন্যান্য উপকরণ ব্যবহার করে। সাত পুলিশ কর্মকর্তাকে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগের তদন্ত চলাকালে সাময়িক বরখাস্ত করার খবরও প্রকাশিত হয়। এর আগে ১৪ অক্টোবর তিরানায় সংঘর্ষের ঘটনায় কর্তৃপক্ষ ২৩ পুলিশ সদস্য ও ছয় বেসামরিক ব্যক্তির আহত হওয়ার কথা জানিয়েছিল। পরবর্তী দিনগুলোতে আহত ও আটক ব্যক্তির সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন প্রতিবেদনে ভিন্ন হিসাব পাওয়া গেছে। তাই সব দিনের পরিসংখ্যান একত্র করে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যা বলা সমীচীন নয়।

তাহলে কি ইউরোপের দেশগুলোতে একই আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছে? উপলব্ধ তথ্য বলছে, একই সময়ে একাধিক দেশে বিক্ষোভ চললেও সব আন্দোলনের কারণ, নেতৃত্ব ও দাবি এক নয়। অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যম এবিসির ২০ অক্টোবর প্রকাশিত বিশ্লেষণ অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি ফ্রান্সে শুরু হওয়া বিক্ষোভের ধারাবাহিকতায় স্পেন, বেলজিয়াম, ইতালি, পর্তুগাল ও আলবেনিয়াতেও আন্দোলন দেখা গেছে। অর্থাৎ প্রতিবেদনে ছয়টি দেশের কথা বলা হয়েছে। অন্যদিকে আল জাজিরার প্রতিবেদনে ফ্রান্স, ইতালি, বেলজিয়াম ও পর্তুগালের সাম্প্রতিক বিক্ষোভের পাশাপাশি আলবেনিয়ার অস্থিরতার কথাও এসেছে। বিভিন্ন সময়সীমা ও ঘটনার সংজ্ঞা ব্যবহারের কারণে দেশসংখ্যায় পার্থক্য হতে পারে।

বিক্ষোভগুলোর মধ্যে মিল কোথায়? প্রথম মিল হলো জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে অসন্তোষ। খাবার, জ্বালানি, বাসাভাড়া ও দৈনন্দিন প্রয়োজনের খরচ বেড়ে গেলে নিম্ন ও মধ্য আয়ের পরিবারগুলোর ওপর চাপ বাড়ে। দ্বিতীয়ত, বড় শহরগুলোতে সাশ্রয়ী বাসস্থানের অভাব তরুণদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ায়। তৃতীয়ত, শিক্ষার্থীদের অভিযোগ—শিক্ষার মান, বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যয় এবং পড়াশোনা শেষে চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। চতুর্থত, রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি অনাস্থা ও দুর্নীতির অভিযোগ বিভিন্ন দেশে জনরোষ বাড়াতে পারে। তবে এসব সাধারণ মিল থাকলেই প্রমাণ হয় না যে সব দেশের আন্দোলন একই সংগঠন পরিচালনা করছে বা একটি কেন্দ্র থেকে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ১১ সেকেন্ডের ভিডিও বা সংক্ষিপ্ত বক্তব্য পরিস্থিতিকে আরও নাটকীয় করে তুলতে পারে। অল্প সময়ের দৃশ্যে আগুন, ভাঙচুর বা পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ দেখা গেলেও তা থেকে পুরো দেশের অবস্থা বোঝা যায় না। ভিডিওটি কখন ধারণ করা হয়েছে, কোন শহরের ঘটনা, একই দৃশ্য অন্য কোনো পুরোনো ঘটনার কি না এবং প্রকাশক মূল উৎস উল্লেখ করেছেন কি না—এসব যাচাই করা জরুরি। আটটি দেশের কথা বলা হলে প্রতিটি দেশের নাম, ঘটনার তারিখ এবং নির্ভরযোগ্য সংবাদসূত্র থাকা উচিত। শুধু একই বক্তব্য বহুবার ভাগ করে প্রকাশ করা হলে সেটি স্বাধীনভাবে যাচাই করা একাধিক প্রমাণের সমান হয় না।
এই অস্থিরতার অর্থনৈতিক প্রভাবও গুরুত্বপূর্ণ। দোকানপাট ক্ষতিগ্রস্ত হলে ব্যবসায়ীদের আয় কমে, কর্মীদের চাকরি ঝুঁকিতে পড়ে এবং স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ব্যাহত হয়। সংঘর্ষপ্রবণ এলাকায় যাতায়াত, পর্যটন ও গণপরিবহনেও সমস্যা তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ উঠলে নাগরিক অধিকার এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেয়। সরকার যদি শুধু কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে কিন্তু মানুষের দৈনন্দিন সমস্যাগুলোর সমাধান না করে, তাহলে ক্ষোভ দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার আশঙ্কা থাকে। আবার বিক্ষোভের নামে সহিংসতা চলতে থাকলে সাধারণ মানুষের সমর্থন কমে যাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

সব মিলিয়ে, ইউরোপের বিভিন্ন দেশে জনঅসন্তোষ, বিক্ষোভ ও সহিংসতার বাস্তব খবর পাওয়া যাচ্ছে। ফ্রান্সে একাধিক শহরে সংঘর্ষ ও লুটপাটের পর স্থানীয় বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে, ইতালির মিলানে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ ঘটেছে এবং আলবেনিয়ায় শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে সরকারবিরোধী আন্দোলন তীব্র হয়েছে। স্পেন, বেলজিয়াম ও পর্তুগালেও বিভিন্ন দাবিতে বিক্ষোভের খবর রয়েছে। কিন্তু ‘আটটি দেশ একই সময়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে’—এমন বক্তব্যকে নির্ভুল সংবাদ হিসেবে গ্রহণ করার আগে প্রতিটি দেশের ঘটনা আলাদাভাবে যাচাই করতে হবে। বর্তমান তথ্য থেকে সবচেয়ে যুক্তিসংগত সিদ্ধান্ত হলো, ইউরোপের বিভিন্ন সমাজে অর্থনৈতিক চাপ ও রাজনৈতিক অসন্তোষ প্রকাশ পাচ্ছে; তবে পুরো পৃথিবী একই সময়ে একযোগে অস্থির হয়ে উঠেছে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর মতো প্রমাণ নেই।


ট্যাগ: ইউরোপের বিক্ষোভফ্রান্সের সংঘর্ষইতালির বিক্ষোভআলবেনিয়ার আন্দোলনজীবনযাত্রার ব্যয়শিক্ষার্থী আন্দোলনরাজনৈতিক অস্থিরতা

প্রতিবেদক

Desk Report

Reporter

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…

সিএসবি নিউজ ইউএসএ ফলো করুন

প্রতিদিন সকালে প্রধান সংবাদ, আর ব্রেকিং নিউজ ঘটার সাথে সাথে। বিনামূল্যে।