গ্রিন কার্ডের আবেদনে সরকারি সুবিধা কি বাধা হতে পারে? নতুন নিয়ম জানুন
যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি খাদ্য ও স্বাস্থ্যসেবা সুবিধা গ্রহণের বিষয়টি নির্দিষ্ট কিছু গ্রিন কার্ড ও ভিসার আবেদনে প্রভাব ফেলতে পারে। তবে নিয়মটি সবার জন্য এক নয়, তাই সুবিধা বন্ধ করার আগে নির্ভরযোগ্য আইনি পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশি অভিবাসীদের জন্য সরকারি সুবিধা ও অভিবাসন আবেদনের সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে সতর্ক থাকার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। নিউইয়র্ক নগরীর অভিবাসীবিষয়ক দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হওয়া নতুন ‘পাবলিক চার্জ’ নিয়মের আওতায় নির্দিষ্ট কিছু ভিসা ও গ্রিন কার্ডের আবেদন পর্যালোচনার সময় আবেদনকারীর সরকারি সুবিধা গ্রহণের বিষয়টি বিবেচনায় আসতে পারে।
এই পর্যালোচনায় আবেদনকারীর বয়স, স্বাস্থ্য, পারিবারিক অবস্থা, আয়, সম্পদ, শিক্ষা, দক্ষতা এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সরকারি সুবিধা গ্রহণের তথ্য বিবেচনা করা হতে পারে। খাদ্যসহায়তা এবং মেডিকেইডের মতো সরকারি স্বাস্থ্যসেবাও কিছু ক্ষেত্রে বিবেচনায় আসতে পারে। তবে এই নিয়ম সব ধরনের অভিবাসন আবেদনে প্রযোজ্য নয় এবং পরিবারের কোনো সদস্য সরকারি সুবিধা পেলেই অন্য সদস্যের আবেদন স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে—এমন নয়।
নিউইয়র্কের সরকারি অভিবাসীবিষয়ক দপ্তর জানিয়েছে, যাঁদের আবেদন ১৮ সেপ্টেম্বরের আগে জমা হয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রে ভিন্ন নিয়ম প্রযোজ্য হতে পারে। তাই নিজের আবেদন জমা দেওয়ার তারিখ, অভিবাসন অবস্থা এবং কোন ধরনের সুবিধা নেওয়া হচ্ছে, তা যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশি পরিবারগুলোর জন্য সবচেয়ে জরুরি বার্তা হলো, শুধু ভয় বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট দেখে প্রয়োজনীয় খাবার, চিকিৎসা কিংবা স্বাস্থ্যবিমার সুবিধা বন্ধ করবেন না। ভুল সিদ্ধান্তে পরিবারের স্বাস্থ্য ও আর্থিক নিরাপত্তা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। নিজের পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য অভিজ্ঞ অভিবাসন আইনজীবী বা বিশ্বস্ত আইনি সহায়তা সংস্থার সঙ্গে কথা বলুন।
নিউইয়র্ক নগরীর অভিবাসীবিষয়ক দপ্তরের বিনা মূল্যের ও গোপনীয় আইনি সহায়তা হটলাইনে ১-৮০০-৩৫৪-০৩৬৫ নম্বরে যোগাযোগ করা যায়। প্রয়োজন অনুযায়ী বাংলাসহ বিভিন্ন ভাষায় দোভাষীর সহায়তা পাওয়া যেতে পারে।





