ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে সবুজায়নের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
আমিনবাজারে গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের দুই পাশে সবুজায়ন ও সৌন্দর্যবর্ধন কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের দুই পাশে সবুজায়ন ও সৌন্দর্যবর্ধন কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার দুপুরে সাভারের আমিনবাজার এলাকায় মহাসড়কের পাশে গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে তিনি এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন। বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) ও অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী নিজ হাতে গাছের চারা রোপণ করে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এ উদ্যোগের লক্ষ্য মহাসড়কের দুই পাশকে সবুজ ও দৃষ্টিনন্দন করে তোলার পাশাপাশি সড়কসংলগ্ন এলাকার পরিবেশ উন্নত করা। প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি উদ্বোধনের তথ্য জানান।
আমিনবাজার থেকে হেমায়েতপুর পর্যন্ত ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের একটি অংশ দীর্ঘদিন ধরে ময়লা-আবর্জনা ও দুর্গন্ধের সমস্যায় ভুগছিল। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় চলতি বছরের জুলাই মাসে বর্জ্য অপসারণ, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এবং বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ঢাকা জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সরকার বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ কার্যক্রম তদারক করেন।
সংবাদমাধ্যমের পূর্ববর্তী প্রতিবেদন অনুযায়ী, মহাসড়কের পাশ থেকে বর্জ্য অপসারণের পর বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগানো এবং এলাকাটিকে পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব করে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কিছু এলাকায় গাছের সুরক্ষায় বেড়া এবং সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য অন্যান্য ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।
সড়কের দুই পাশে পরিকল্পিতভাবে গাছ লাগানো হলে পরিবেশের ওপর ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। গাছ ধুলাবালি কমাতে, কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করতে, জীববৈচিত্র্যের আবাস তৈরি করতে এবং স্থানীয় পরিবেশের মান উন্নয়নে ভূমিকা রাখে। তবে এসব সুফল নির্ভর করে গাছের প্রজাতি নির্বাচন, নিয়মিত পরিচর্যা, পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ এবং চারাগুলোর দীর্ঘমেয়াদি টিকে থাকার ওপর।
বিশেষজ্ঞদের সাধারণ পরিবেশগত পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, মহাসড়কের পাশে বৃক্ষরোপণের ক্ষেত্রে যানবাহন চলাচলের নিরাপত্তা, চালকদের দৃষ্টিসীমা, সড়কের অবকাঠামো এবং গাছের শিকড়ের বিস্তারের বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন। সঠিক পরিকল্পনা ও রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যমে এ ধরনের উদ্যোগ সড়কের সৌন্দর্য বৃদ্ধির পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণেও সহায়ক হতে পারে।
এ কর্মসূচির দীর্ঘমেয়াদি সাফল্য নিশ্চিত করতে রোপণ করা চারাগুলোর নিয়মিত পরিচর্যা, বর্জ্য ফেলা বন্ধ রাখা এবং সড়কসংলগ্ন এলাকার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দা ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ থাকলে সবুজায়নের সুফল দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে।





