যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি বিক্রি বাড়লেও ঋণের সুদ ও দাম চাপে রাখছে নতুন ক্রেতাদের
বাড়ি বিক্রিতে সামান্য উন্নতি হলেও যুক্তরাষ্ট্রে আবাসন কেনা এখনো ব্যয়বহুল। বন্ধকী ঋণের সুদের হার ও বাড়ির উচ্চমূল্য নতুন ক্রেতাদের জন্য বড় বাধা হয়ে রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের আবাসন বাজারে সেপ্টেম্বর মাসে আগে থেকে মালিকানাধীন বাড়ি বিক্রির সংখ্যা বেড়েছে। তবে বাড়ির দাম ও বন্ধকী ঋণের সুদের হার বেশি থাকায় অনেক পরিবারের জন্য বাড়ি কেনা এখনো কঠিন। ১৩ অক্টোবর প্রকাশিত রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের আবাসন বাজারে সেপ্টেম্বর মাসে আগে থেকে মালিকানাধীন বাড়ি বিক্রির সংখ্যা বেড়েছে। তবে বাড়ির দাম ও বন্ধকী ঋণের সুদের হার বেশি থাকায় অনেক পরিবারের জন্য বাড়ি কেনা এখনো কঠিন। ১৩ অক্টোবর প্রকাশিত রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
ন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব রিয়েলটরসের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরে বিদ্যমান বাড়ি বিক্রির গতি বেড়েছে। তবে এই বৃদ্ধি মূলত আগস্টের বিক্রির আগের হিসাব সংশোধন এবং বাজারে বাড়ির সরবরাহ বাড়ার সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। তাই এক মাসের বিক্রির বৃদ্ধি আবাসন বাজার পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়ানোর প্রমাণ নয়।
প্রতিবেদনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো, সেপ্টেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্রে বিদ্যমান বাড়ির মধ্যম বিক্রয়মূল্য ওই মাসের জন্য রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। একই সময়ে বন্ধকী ঋণের সুদের হার বৃদ্ধির কারণে বাড়ি কেনার মোট ব্যয় নিয়ে ক্রেতাদের উদ্বেগ রয়েছে।
বাড়ি কেনার ক্ষেত্রে শুধু বিক্রয়মূল্য নয়, ঋণের সুদ, সম্পত্তি কর, বাড়ির বিমা এবং রক্ষণাবেক্ষণের খরচও বিবেচনা করতে হয়। সুদের হার বেশি থাকলে একই দামের বাড়ি কিনতেও ক্রেতাকে প্রতি মাসে বেশি অর্থ পরিশোধ করতে হতে পারে।
আমেরিকায় বসবাসরত বাংলাদেশি অভিবাসী পরিবার, শিক্ষার্থী থেকে কর্মজীবনে প্রবেশ করা তরুণ এবং প্রথমবার বাড়ি কিনতে আগ্রহীদের জন্য এই পরিস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ। বাড়ি কেনার আগে মাসিক কিস্তি, ডাউন পেমেন্ট, ঋণের শর্ত এবং স্থানীয় বাজারের দাম যাচাই করা প্রয়োজন।
বাজারে বাড়ির সরবরাহ বাড়লে ক্রেতারা তুলনামূলক বেশি বিকল্প পেতে পারেন। কিন্তু সুদের হার ও বাড়ির দাম উভয়ই বেশি থাকলে সেই সুবিধা সবার জন্য সমান হয় না। আগামী মাসগুলোতে বিক্রি, নতুন বাড়ির সরবরাহ এবং ঋণের সুদের হার কোন দিকে যায়, তা যুক্তরাষ্ট্রের আবাসন বাজারের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হবে।





