ব্রেকিং
ইলহান ওমরের বাড়িতে ভোররাতে তল্লাশি, অভিবাসন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসছে ওয়াশিংটনগোপন ক্যামেরায় ধরা সহকর্মীর পানিতে বিষ মেশানোর দৃশ্য, দণ্ড বাতিলের আবেদন অভিযুক্তেররুশ ডিজেল চুক্তিতে ট্রাম্পকে চাপে ফেললেন নিজ দলের নেতারা, নিষেধাজ্ঞা ফেরানোর উদ্যোগজ্বালানি ও খাবারের বাড়তি খরচে চাপে মার্কিন পরিবার, নির্বাচনের আগে বাড়ছে অসন্তোষফ্লু থেকে সেরে প্রচারে ফিরলেন তালারিকো, মানসিক চিকিৎসার গুজব উড়িয়ে দিলেন

মামদানির সংস্কার ঘোষণায় প্রতিশ্রুতি অপূর্ণ, বিতর্কিত ইউনিট বহাল, ছোট অপরাধে জরিমানাও বাড়ল

পুলিশি বলপ্রয়োগের নিয়ম পর্যালোচনা ও জবাবদিহি বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছেন মামদানি, তবে বিতর্কিত বিশেষ ইউনিট বিলুপ্তি এবং ছোট অপরাধে ব্যবস্থা কমানোর প্রতিশ্রুতি এখনো বাস্তবায়িত হয়নি।

মামদানির সংস্কার ঘোষণায় প্রতিশ্রুতি অপূর্ণ, বিতর্কিত ইউনিট বহাল, ছোট অপরাধে জরিমানাও বাড়ল
মামদানির সংস্কার ঘোষণায় প্রতিশ্রুতি অপূর্ণ, বিতর্কিত ইউনিট বহাল, ছোট অপরাধে জরিমানাও বাড়ল

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক নগরের মেয়র জোহরান মামদানি পুলিশ বিভাগের বলপ্রয়োগের নীতি ও কার্যক্রম নতুন করে পর্যালোচনার নির্দেশ দিয়েছেন। পুলিশের বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ তদন্ত, জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং নাগরিকদের কাছে তথ্য প্রকাশের প্রক্রিয়া শক্তিশালী করতে বেশ কিছু পদক্ষেপও ঘোষণা করেছেন তিনি। তবে তাঁর নির্বাচনী প্রচারের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি প্রতিশ্রুতি এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। এর মধ্যে রয়েছে বিতর্কিত বিশেষ পুলিশ ইউনিট বিলুপ্ত করা, ছোটখাটো অপরাধের ক্ষেত্রে পুলিশের গ্রেপ্তারনির্ভর ব্যবস্থা কমানো এবং সন্দেহভাজন অপরাধী চক্রের সদস্যদের নিয়ে তৈরি তালিকা বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি। এসব বিষয়ে অগ্রগতি না হওয়ায় তাঁর রাজনৈতিক সমর্থকদের একাংশের মধ্যেও অসন্তোষ বাড়ছে। 

১২ অক্টোবর প্রকাশিত নিউইয়র্ক নগর কর্তৃপক্ষের ঘোষণায় বলা হয়েছে, পুলিশ বিভাগের বলপ্রয়োগসংক্রান্ত নীতি ও চর্চার ওপর গত এক দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো বিস্তৃত পর্যালোচনা করা হবে। আগামী কয়েক মাস ধরে চলা এই প্রক্রিয়ায় সাধারণ নাগরিক ও বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মতামত নেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। পাশাপাশি পুলিশের বিরুদ্ধে গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগ উঠলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার অবসর গ্রহণের কারণে যেন শাস্তিমূলক কার্যক্রম বন্ধ হয়ে না যায়, সে জন্য নতুন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। 

তবে এই ঘোষণাকে মামদানির সব নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের প্রমাণ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। বরং পুলিশের বলপ্রয়োগের নীতি পর্যালোচনা এবং তাঁর নির্বাচনী প্রচারে আলোচিত কাঠামোগত পরিবর্তনগুলো আলাদা বিষয়। নতুন ঘোষণায় তদারকি ও জবাবদিহির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হলেও বিতর্কিত বিশেষ ইউনিট বিলুপ্তির বিষয়ে কোনো তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। ছোটখাটো অপরাধের ক্ষেত্রে পুলিশের ভূমিকা কমানোর প্রতিশ্রুতিও পুরোপুরি কার্যকর হয়েছে বলে প্রমাণ পাওয়া যায়নি। 


মামদানির প্রতিশ্রুতি ও বাস্তব পদক্ষেপের মধ্যে ব্যবধান সবচেয়ে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে কৌশলগত সাড়া প্রদানকারী বিশেষ পুলিশ ইউনিটের ভবিষ্যৎ নিয়ে। এই ইউনিটের দায়িত্বের মধ্যে বড় ধরনের জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা, সন্ত্রাসবাদবিরোধী কার্যক্রমে সহায়তা এবং বড় জমায়েত ও বিক্ষোভ সামলানোর কাজ রয়েছে। তবে বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে এর ভূমিকা, অতীতে ব্যবহৃত কঠোর কৌশল এবং অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক চলছে।

মামদানি মেয়র নির্বাচনের প্রচারে এই ইউনিট বিলুপ্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, বিক্ষোভ দমনের দায়িত্ব এবং সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলার দায়িত্ব আলাদা করা প্রয়োজন। ২০২৬ সালের জানুয়ারিতেও তিনি ইউনিটটি বিলুপ্ত করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছিলেন। কিন্তু অক্টোবরের মাঝামাঝি পর্যন্ত ইউনিটটি বহাল রয়েছে। ফলে তাঁর সমর্থকদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে প্রশাসন এত সময় নিচ্ছে কেন। 

এই বিতর্কের পেছনে রয়েছে পুলিশের বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণের অতীত কর্মকাণ্ডও। ২০২০ সালে বর্ণবাদবিরোধী বিক্ষোভ চলাকালে নিউইয়র্কে পুলিশের বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারীদের ঘিরে ফেলা এবং জোরপূর্বক আটকে রাখার কৌশল ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে। বিশেষ ইউনিটটির কিছু সদস্যের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ ও অসদাচরণের অভিযোগও বিভিন্ন সময়ে আলোচনায় এসেছে। এসব ঘটনার কারণে নাগরিক অধিকারকর্মীরা ইউনিটটির কাঠামো ও দায়িত্ব পুনর্বিন্যাসের দাবি জানিয়েছেন। তবে ইউনিটটি বিলুপ্ত করা হলে জরুরি পরিস্থিতি ও সন্ত্রাসবাদবিরোধী কার্যক্রমের দায়িত্ব কীভাবে বণ্টন করা হবে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। 

ছোটখাটো অপরাধের ক্ষেত্রে পুলিশের ভূমিকা কমানোর প্রতিশ্রুতিও নতুন করে আলোচনায় এসেছে। মামদানি আগে বলেছিলেন, প্রকাশ্যে প্রস্রাব করা বা জনসমক্ষে খোলা পাত্রে মদ্যপানের মতো অপেক্ষাকৃত কম গুরুতর অপরাধে পুলিশের অতিরিক্ত সময় ব্যয় করা উচিত নয়। তাঁর যুক্তি ছিল, এসব ঘটনায় পুলিশকে বারবার ব্যস্ত রাখলে সহিংস অপরাধ মোকাবিলা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে বাধা সৃষ্টি হতে পারে।

কিন্তু প্রকাশ্যে প্রস্রাব করার ঘটনায় জারি করা সমন বা আইনি হাজিরার নোটিশের সংখ্যা তাঁর মেয়াদকালে ১৮ শতাংশ বেড়েছে বলে ফক্স নিউজের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এই পরিসংখ্যানটি মামদানির প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে: সমনের সংখ্যা বৃদ্ধি মানেই সব ক্ষেত্রে গ্রেপ্তার বেড়েছে, এমন নয়। সমন জারি, গ্রেপ্তার এবং অপরাধের প্রকৃত হার আলাদা পরিমাপ। ১৮ শতাংশ বৃদ্ধির দাবিটি স্বাধীনভাবে যাচাই করতে সংশ্লিষ্ট সময়সীমা, আগের সময়ের তুলনামূলক সংখ্যা এবং নগর পুলিশের মূল পরিসংখ্যান দেখা প্রয়োজন। তাই এই সংখ্যাকে এককভাবে সামগ্রিক অপরাধ পরিস্থিতির প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা ঠিক হবে না। 

সন্দেহভাজন অপরাধী চক্রের সদস্যদের নিয়ে পুলিশের সংরক্ষিত তালিকা বন্ধ করার প্রতিশ্রুতিও এখনো বাস্তবায়িত হয়নি বলে ফক্স নিউজ জানিয়েছে। এ ধরনের তালিকা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নাগরিক অধিকারকর্মীদের উদ্বেগ রয়েছে। তাঁদের আশঙ্কা, পর্যাপ্ত প্রমাণ ছাড়াই কাউকে সন্দেহভাজন হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হলে তাঁর ব্যক্তিগত স্বাধীনতা, সামাজিক সম্পর্ক এবং পুলিশের সঙ্গে ভবিষ্যৎ যোগাযোগ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। অন্যদিকে পুলিশি কর্তৃপক্ষের যুক্তি, অপরাধী চক্রের কার্যক্রম সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ তদন্ত ও অপরাধ প্রতিরোধে সহায়ক হতে পারে। এই দুই অবস্থানের মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করতে হলে তালিকাভুক্তির মানদণ্ড, তথ্যের নির্ভুলতা, তথ্য সংশোধনের সুযোগ এবং স্বাধীন তদারকির ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ। 

মামদানির নতুন উদ্যোগের পেছনে রয়েছে উইন রোজারিওর মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া জবাবদিহির সংকট। ২০২৪ সালের মার্চে নিউইয়র্কের কুইন্স এলাকায় মানসিক স্বাস্থ্যসংক্রান্ত সংকটের মধ্যে থাকা ১৯ বছর বয়সী রোজারিওকে পুলিশ গুলি করে হত্যা করে। তিনি নিজেই সহায়তার জন্য পুলিশকে ফোন করেছিলেন। ঘটনাস্থলের দেহে ধারণ করা ক্যামেরার ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশ সদস্যরা তাঁকে বৈদ্যুতিক অস্ত্র দিয়ে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। পরে তিনি কাঁচি হাতে কর্মকর্তাদের দিকে এগিয়ে গেলে তাঁকে গুলি করা হয়। এই ঘটনায় পুলিশের বলপ্রয়োগ, সংকটের সময় পরিস্থিতি শান্ত করার প্রশিক্ষণ এবং মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে পুলিশের আচরণ নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন ওঠে। 

নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেলের তদন্তকারী দপ্তর পরে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ আনার সুপারিশ করেনি। তাদের মূল্যায়নে, প্রাণঘাতী বলপ্রয়োগ আইনগত আত্মরক্ষার মানদণ্ড পূরণ করেছে কি না, তা নিয়ে অপরাধ প্রমাণের প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ হয়নি। তবে ফৌজদারি মামলা না হওয়া এবং বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা এক বিষয় নয়। পুলিশ বিভাগের নিজস্ব শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া আলাদাভাবে চলতে পারে। 

এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে ক্ষোভ তৈরি হয় যখন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের একজন সালভাতোর আলোনজি ২০২৬ সালের মে মাসে শৃঙ্খলাজনিত বিচার সম্পন্ন হওয়ার আগেই অবসর গ্রহণ করেন। নগর কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, অবসরের ফলে তাঁর বিরুদ্ধে চলমান বিভাগীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। এতে প্রশ্ন ওঠে, গুরুতর অভিযোগের মুখে থাকা কোনো কর্মকর্তা অবসর নিয়ে তদন্ত বা শাস্তিমূলক প্রক্রিয়া এড়িয়ে যেতে পারেন কি না। অন্য কর্মকর্তা ম্যাথিউ সিয়ানফ্রোকোর বিরুদ্ধে বিভাগীয় বিচারপ্রক্রিয়া চালু থাকার কথা জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট তদারকি সংস্থা। 

এই পরিস্থিতির প্রতিক্রিয়ায় মামদানি পুলিশের স্বাধীন তদারকি সংস্থার জন্য অতিরিক্ত ২৬ লাখ ডলার বরাদ্দের ঘোষণা দিয়েছেন। তাঁর প্রশাসনের দাবি, এই অর্থ দিয়ে সংস্থাটির কর্মীসংখ্যা বর্তমানের তুলনায় তিন গুণ করা সম্ভব হবে এবং পুলিশি অসদাচরণসংক্রান্ত নীতি ও কার্যক্রম তদন্তের সক্ষমতা বাড়বে। পাশাপাশি, কোনো কর্মকর্তা শাস্তিমূলক অভিযোগ চলমান থাকা অবস্থায় অবসরের আবেদন করলে তদারকি কর্তৃপক্ষকে জানানোর জন্য পুলিশ বিভাগ নতুন বিজ্ঞপ্তি ব্যবস্থা চালু করেছে। গুরুতর অভিযোগ নিষ্পত্তির আগে কর্মকর্তা অবসর নিলে তাঁর তথ্য অঙ্গরাজ্যের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানোর ব্যবস্থাও আনুষ্ঠানিক করা হবে। এর উদ্দেশ্য, তিনি অন্য কোনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থায় যোগ দিয়ে জবাবদিহি এড়িয়ে যেতে না পারেন। 

এ ছাড়া পুলিশের গুলিতে মৃত্যু বা গুরুতর আহত হওয়ার মতো ঘটনায় তথ্য প্রকাশের প্রক্রিয়া আরও সুসংগঠিত করার পরিকল্পনা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট পরিবার বা তাদের প্রতিনিধিরা চাইলে পুলিশ বিভাগের তদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন পাওয়ার সুযোগও পাবেন। অঙ্গরাজ্যের আইনে পুলিশের কারণে মৃত্যু-সংক্রান্ত তথ্য জানানোর বাধ্যবাধকতা যথাসময়ে পূরণ করার বিষয়েও প্রশাসন জোর দিয়েছে। এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে তদন্তের স্বচ্ছতা বাড়তে পারে। তবে নতুন ব্যবস্থা কতটা কার্যকর হবে, তা নির্ভর করবে বাস্তব প্রয়োগ, তদন্তের স্বাধীনতা এবং অভিযোগ নিষ্পত্তির ফলাফলের ওপর। 

মামদানির সিদ্ধান্ত নিয়ে রাজনৈতিক চাপও বাড়ছে। তাঁর বামপন্থী সমর্থকদের একটি অংশ পুলিশ কমিশনার জেসিকা টিশকে পদ থেকে সরানোর দাবি জানিয়েছে। টিশকে নিয়োগ দিয়েছিলেন সাবেক মেয়র এরিক অ্যাডামস, কিন্তু মামদানি দায়িত্ব গ্রহণের পরও তাঁকে পদে রেখেছেন। সমর্থকদের একাংশ মনে করে, পুলিশ বিভাগের নেতৃত্বে পরিবর্তন ছাড়া নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির কাঙ্ক্ষিত সংস্কার কঠিন হবে। অন্যদিকে পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন নতুন পর্যালোচনাকে রাজনৈতিক চাপের ফল বলে সমালোচনা করেছে এবং এর ফলে জননিরাপত্তা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে উদ্বেগ জানিয়েছে। 

তবে মামদানির প্রশাসন জানিয়েছে, পুলিশের বলপ্রয়োগসংক্রান্ত পর্যালোচনার পরিকল্পনা সাম্প্রতিক রাজনৈতিক চাপের আগেই নেওয়া হয়েছিল। ফলে এটিকে কেবল সমর্থকদের অসন্তোষ প্রশমনের পদক্ষেপ হিসেবে ব্যাখ্যা করা পুরোপুরি যথাযথ হবে না। একই সঙ্গে, এই পর্যালোচনা শুরু হওয়াই তাঁর আগের সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হয়েছে এমন দাবির ভিত্তি নয়। প্রশাসনের ঘোষণায় নির্দিষ্ট সময়সীমা, বিশেষ ইউনিট বিলুপ্তির চূড়ান্ত তারিখ কিংবা ছোটখাটো অপরাধে পুলিশের ব্যবস্থা কমানোর পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন পরিকল্পনা স্পষ্ট করা হয়নি। 

ট্যাগ: নিউইয়র্কজোহরান মামদানিযুক্তরাষ্ট্রপুলিশ সংস্কারপুলিশি জবাবদিহিনির্বাচনী প্রতিশ্রুতিনাগরিক অধিকারঅপরাধনীতি

প্রতিবেদক

Desk Report

Reporter

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…

সংবাদ পান আপনার ইনবক্সে

প্রতিদিন সকালে প্রধান সংবাদ, আর ব্রেকিং নিউজ ঘটার সাথে সাথে। বিনামূল্যে।