১,০০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যেও আঘাতের সক্ষমতা বাড়াতে ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়নে ইরান

সাম্প্রতিক যুদ্ধের অভিজ্ঞতা থেকে ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ও গতি আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান। দেশটির সেনাবাহিনী বলছে, দূরে অবস্থান নেওয়া প্রতিপক্ষকে লক্ষ্য করতেই এই সক্ষমতা উন্নয়নের উদ্যোগ।

১,০০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যেও আঘাতের সক্ষমতা বাড়াতে ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়নে ইরান

১,০০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যেও আঘাতের সক্ষমতা বাড়াতে ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়নে ইরান


সাম্প্রতিক যুদ্ধের অভিজ্ঞতার পর নিজেদের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। দেশটির সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া জানিয়েছেন, ইরানের সেনাবাহিনী তাদের ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর পাল্লা ও গতি বাড়ানোর দিকে এগোচ্ছে। ৪ অক্টোবর ফার্স নিউজ এজেন্সিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, সাম্প্রতিক যুদ্ধের সময় ব্যবহৃত ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর কার্যকারিতা পর্যালোচনা করে ইরান মনে করেছে, ভবিষ্যতে আরও দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করার সক্ষমতা প্রয়োজন।

আকরামিনিয়ার ভাষ্য অনুযায়ী, যুদ্ধের সময় ইরানের স্থলবাহিনী কুয়েতে থাকা মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে এবং নৌবাহিনী সমুদ্রের মার্কিন সামরিক সম্পদের বিরুদ্ধে সমুদ্র থেকে নিক্ষেপযোগ্য ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে। তার দাবি, এসব ক্ষেপণাস্ত্র কার্যকর প্রমাণিত হলেও বর্তমানে প্রতিপক্ষ ইরানের উপকূল থেকে আরও দূরে অবস্থান করছে। কিছু ক্ষেত্রে এই দূরত্ব প্রায় ১,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত হওয়ায় ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা বাড়ানোকে এখন প্রয়োজনীয় বলে মনে করছে ইরানের সামরিক নেতৃত্ব।

ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র আরও জানান, ক্ষেপণাস্ত্রের গতি ও নির্ভুল আঘাত হানার সক্ষমতা নিয়ে ইতোমধ্যে কাজ হয়েছে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ক্ষেপণাস্ত্রে এসব বৈশিষ্ট্য আরও উন্নত করার লক্ষ্য রয়েছে। একই সঙ্গে সেনাবাহিনীর বিভিন্ন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্রকে আধুনিকায়নের পরিকল্পনার কথাও জানানো হয়েছে।

এই ঘোষণাটি এমন এক সময়ে এসেছে, যখন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি নিয়ে তেহরানের উদ্বেগ রয়েছে। রয়টার্সও ৪ অক্টোবর জানিয়েছে, ইরান তাদের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে। তবে নতুন ক্ষেপণাস্ত্রের নির্দিষ্ট পাল্লা বা কবে নাগাদ এই উন্নয়ন সম্পন্ন হবে, সে বিষয়ে ইরান কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা ঘোষণা করেনি।

সিএসবি নিউজ-এর আরও খবর