বাবার বাড়ি ৫ ডলারে লিখে নেওয়ার অভিযোগ, খুঁজতে এসে হাতকড়া মেয়ের

অসুস্থ বাবার বাড়ি পাঁচ ডলারে নেওয়ার অভিযোগে পরিচর্যাকারী গ্রেপ্তার, আর বাবাকে খুঁজতে গিয়ে মেয়েকেই পুলিশ হাতকড়া পরিয়েছিল দুই বছর আগে

বাবার বাড়ি ৫ ডলারে লিখে নেওয়ার অভিযোগ, খুঁজতে এসে হাতকড়া মেয়ের

বাবার বাড়ি ৫ ডলারে লিখে নেওয়ার অভিযোগ, খুঁজতে এসে হাতকড়া মেয়ের


যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ক্যারোলিনার কনওয়ে শহরে ৭৫ বছর বয়সী এক অসুস্থ বৃদ্ধের বাড়ি মাত্র পাঁচ ডলারে নিজের নামে নেওয়া, তাঁর অর্থ ব্যবহারের অভিযোগ এবং তাঁর মৃত্যুর পরও অর্থ লেনদেনের অভিযোগে এক নারী পরিচর্যাকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনাটির আরেকটি চাঞ্চল্যকর দিক হলো, বাবার খোঁজে শত শত মাইল পাড়ি দিয়ে আসা মেয়েকেই প্রাথমিকভাবে বাবার বাড়িতে অনধিকার প্রবেশের অভিযোগে হাতকড়া পরানো হয়েছিল। পরে সেই মামলা বাতিল হয়ে যায়।

গ্রেপ্তার হওয়া নারীর নাম সারাহ স্মলস। তাঁর বয়স ৫৮ বছর। কনওয়ে পুলিশ গত ২৮ সেপ্টেম্বর তাঁকে গ্রেপ্তার করে। তাঁর বিরুদ্ধে প্রতারণামূলক উদ্দেশ্যে পাঁচ হাজার ডলার বা তার বেশি মূল্যের অর্থ আত্মসাৎ, মিথ্যা তথ্য দেওয়া এবং ঝুঁকিপূর্ণ প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিকে শোষণের অভিযোগ আনা হয়েছে। আদালতের নথি ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

ঘটনার কেন্দ্রে রয়েছেন রবার্ট রোল্যান্ড নামের ৭৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তি। তিনি কনওয়ে এলাকায় বসবাস করতেন এবং পারকিনসন রোগ ও মস্তিষ্কে আঘাতজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। পুলিশের নথিতে তাঁকে ঝুঁকিপূর্ণ প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর মেয়ে নোরা রোল্যান্ড মেরিল্যান্ডে থাকেন। নোরার ভাষ্য অনুযায়ী, বাবার সঙ্গে তাঁর নিয়মিত যোগাযোগ ছিল এবং প্রতি সপ্তাহে তাঁরা ভিডিও কথোপকথন করতেন। 

২০২৪ সালের মার্চে সারাহ স্মলস রবার্টের পরিচর্যার কাজে যুক্ত হন। তিনি গ্রিসওল্ড হোম কেয়ারের মাধ্যমে রবার্টের সঙ্গে কাজ শুরু করেছিলেন। তবে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই রবার্টকে তাঁর বাড়ি থেকে সরিয়ে একটি প্রবীণ নিবাসে নেওয়া হয়। নোরার অভিযোগ, এই সময় থেকেই বাবার সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ কমতে থাকে। বিষয়টি তাঁর কাছে অস্বাভাবিক মনে হয়। 

এরপর ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে রবার্টের আর্থিক ও সম্পত্তিগত বিষয়ে বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটে। আদালতের নথি অনুযায়ী, স্মলস রবার্টের ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধি হয়ে তাঁর আর্থিক বিষয় নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করেন। একই সময়ে ১৭ এপ্রিল রবার্টের কনওয়ের বাড়ির মালিকানা পরিবর্তনের দলিল করা হয়। দলিলে বাড়িটির বিনিময় মূল্য হিসেবে মাত্র পাঁচ ডলার উল্লেখ করা হয়েছিল। পুলিশি নথি অনুযায়ী, ওই বাড়িটির আনুমানিক মূল্য ছিল প্রায় দুই লাখ ৭৫ হাজার ডলার। 

এই দলিলের সত্যায়ন নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তদন্তসংক্রান্ত নথিতে বলা হয়েছে, স্মলসের পরিবারের একজন সদস্য দলিলটি সত্যায়ন করেছিলেন। নোরা রোল্যান্ডের করা প্রবেট মামলার অভিযোগে সেই সত্যায়নকারী হিসেবে স্মলসের বোনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ, একই পরিবারের একজন সদস্য দলিলের সত্যায়নের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে এই বিষয়টি আদালতে চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত হয়েছে এমন দাবি এখনো করা যায় না।

পুলিশের অভিযোগ আরও গুরুতর হয়ে ওঠে রবার্টের ব্যাংক হিসাবের লেনদেন নিয়ে। তদন্তকারীদের নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের মার্চ থেকে জুলাইয়ের মধ্যে স্মলস রবার্টের হিসাব থেকে ১৭ হাজার ডলারের বেশি নগদ অর্থ তুলে নেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া তাঁর নিজের অর্থপ্রাপ্তির মাধ্যমে আরও কিছু অর্থ পাঠানো হয়েছিল বলে নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে। পুলিশের অভিযোগ অনুযায়ী, রবার্টের আর্থিক বিষয়ের ওপর ক্ষমতা পাওয়ার পর এসব লেনদেন করা হয়। 

সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কিছু বার্তায় রবার্টের হিসাব থেকে মোট ৪১ হাজার ডলারের বেশি সরানোর কথা বলা হয়েছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে মৃত্যুর পরও কিছু অর্থ স্থানান্তরের তথ্যের কথা এসেছে। তবে বর্তমানে যে ফৌজদারি অভিযোগে স্মলসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, সেখানে বিশেষভাবে ১৭ হাজার ডলারের বেশি নগদ উত্তোলন ও নিজের হিসাবে অর্থ পাঠানোর অভিযোগটি উল্লেখ রয়েছে। তাই যাচাইযোগ্য প্রতিবেদনে নিশ্চিত না হওয়া অতিরিক্ত অর্থের পরিমাণকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে দেখানো ঠিক হবে না।

মে ২০২৪ সালে আরও একটি অভিযোগ সামনে আসে। পুলিশি নথি অনুযায়ী, স্মলস কনওয়ে আবাসন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অর্থ পাওয়ার জন্য সরকারি কাগজপত্রে নিজের সম্পদ, জমি ও নগদ অর্থ না থাকার কথা উল্লেখ করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তদন্তকারীদের মতে, ওই সময় তাঁর নামে রবার্টের বাড়ির দলিল থাকার বিষয়টিও তদন্তের আওতায় এসেছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। 

এর মধ্যে রবার্টের মেয়ে নোরা বাবার সঙ্গে যোগাযোগ হারাতে থাকেন। ২০২৪ সালের বাবা দিবসের সময়ও বাবার কাছ থেকে সাড়া না পেয়ে তিনি উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। এরপর মেরিল্যান্ড থেকে কনওয়েতে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে বাবার বাড়িতে যান। সেখানে গিয়ে তিনি দেখতে পান বাড়ির সামনের দরজার তালা বদলে গেছে এবং নতুন দরজার ঘণ্টা ও ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। 

নোরার ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি দরজার ঘণ্টা চাপলে স্মলস ক্যামেরার মাধ্যমে তাঁর সঙ্গে কথা বলেন এবং জানান যে তাঁর বাবা মারা গেছেন। নোরা তখন জানতে পারেন, রবার্টের মৃত্যু হয়েছে তিন দিন আগে। বাবার মৃত্যুর খবর আগে না জানানোয় তিনি ভেঙে পড়েন। পরে জরুরি অবস্থায় ব্যবহারের জন্য খোলা রাখা একটি জানালা দিয়ে তিনি বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করেন বলে জানান।

বাড়ির ভেতরে ঢুকে নোরা আরও বড় ধাক্কা পান। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ঘরের চেহারা বদলে গিয়েছিল। দেয়ালে অপরিচিত মানুষের ছবি, নতুন রং এবং নতুন আসবাব দেখা যায়। তাঁর কাছে মনে হয়েছিল, বাবার বাড়িতে অন্য একটি পরিবার বসবাস করছে। কিছুক্ষণ পর স্মলস সেখানে ফিরে এসে পুলিশকে খবর দেন এবং নোরা ও তাঁর সঙ্গীর বিরুদ্ধে অনধিকার প্রবেশের অভিযোগ করেন। 

এরপর ঘটনাটি আরও অস্বাভাবিক মোড় নেয়। পুলিশ এসে নোরা ও তাঁর সঙ্গীকে হাতকড়া পরায়। স্মলস পুলিশকে নিজের নামে থাকা বাড়ির দলিল দেখিয়েছিলেন বলে নোরার ভাষ্য। পুলিশি নথি অনুযায়ী, নোরাকে দ্বিতীয় মাত্রার বাড়িতে অনধিকার প্রবেশের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পরে প্রসিকিউশন সেই অভিযোগ বাতিল করে। 

ঘটনার সময় পাশের এক প্রতিবেশীও পুলিশকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছিলেন। পুলিশি ক্যামেরায় ধারণ করা বক্তব্যে প্রতিবেশী জানান, স্মলস রবার্টের দেখাশোনা করতে আসার পর এক সময় বাড়ি থেকে আসবাব সরাতে শুরু করেন এবং পরে রবার্টকে আর দেখা যায়নি। ওই প্রতিবেশী আরও বলেন, রবার্ট তখন শারীরিক ও মানসিকভাবে দুর্বল ছিলেন এবং তাঁকে সহজেই প্রভাবিত করা সম্ভব ছিল বলে তাঁর মনে হয়েছিল। প্রতিবেশী আরও জানান, তিনি প্রবীণ সেবা কর্তৃপক্ষের কাছে উদ্বেগের কথা জানিয়েছিলেন।

রবার্টের চিকিৎসা নথি নিয়েও নোরার পক্ষ থেকে গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়েছে। নোরার বক্তব্য অনুযায়ী, মৃত্যুর সময় তাঁর বাবার ওজন ৯০ পাউন্ডেরও কম ছিল এবং চিকিৎসা নথিতে তাঁকে অত্যন্ত দুর্বল ও অপুষ্ট অবস্থায় থাকার কথা বলা হয়েছে। কিছু নথিতে বিভ্রান্তির কথাও উল্লেখ রয়েছে। তবে শারীরিক নির্যাতন বা অবহেলার এসব অভিযোগের জন্য স্মলসের বিরুদ্ধে এখনো আলাদা অভিযোগ আনা হয়েছে বলে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। নোরা বলেছেন, তিনি এ বিষয়েও তদন্ত চান। 

গ্রেপ্তারের পর স্মলসের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো নিয়ে আদালতে প্রাথমিক শুনানি হয়েছে। আদালত তাঁর জামিনের পরিমাণ মোট ৪৫ হাজার ডলার নির্ধারণ করে। এর মধ্যে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগে পাঁচ হাজার ডলার এবং ঝুঁকিপূর্ণ প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিকে শোষণ ও প্রতারণামূলক উদ্দেশ্যে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ২০ হাজার ডলার করে জামিন নির্ধারণ করা হয়। তিনি ২৯ সেপ্টেম্বর জামিনে মুক্তি পান। 

স্মলসের পরবর্তী আদালত হাজিরার তারিখ ১১ ডিসেম্বর নির্ধারিত হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আইনগতভাবে তিনি দোষী নন। তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো এখনো বিচারাধীন। 

এদিকে রবার্টের বাড়ির মালিকানা নিয়ে বিরোধ এখনো শেষ হয়নি। নোরা দেওয়ানি আদালতে দলিল বাতিল বা মালিকানা পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করছেন। অর্থাৎ স্মলসের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ আনা হলেও বাড়িটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নোরার নামে ফিরে যায়নি। বাড়ির মালিকানা নিয়ে দেওয়ানি প্রক্রিয়া আলাদাভাবে চলমান রয়েছে।

গ্রিসওল্ড হোম কেয়ারও বিষয়টি নিয়ে বক্তব্য দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, স্মলস তাদের নিবন্ধিত স্বাধীন পরিচর্যাকারী ছিলেন এবং কাজ শুরুর আগে প্রয়োজনীয় পটভূমি যাচাইয়ে উত্তীর্ণ হয়েছিলেন। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, রবার্টের ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধি হওয়া এবং বাড়ির দলিল পরিবর্তনের সময় রবার্ট আর তাদের মাধ্যমে সেবা নিচ্ছিলেন না। প্রতিষ্ঠানটি আরও জানিয়েছে, সাম্প্রতিক অভিযোগের পর তারা বিষয়টি পর্যালোচনা করছে এবং প্রয়োজনীয় সরকারি সংস্থাকে তথ্য দিয়েছে।

ঘটনাটি নিয়ে দক্ষিণ ক্যারোলিনায় সম্পত্তির দলিল জালিয়াতি ও অপব্যবহার ঠেকানোর আইন নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয় দলিল নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, তাদের কার্যালয় সাধারণত দলিলের আইনগত প্রয়োজনীয়তা পূরণ হয়েছে কি না তা দেখে; দলিলের পেছনে লেনদেনটি ন্যায্য কি না বা স্বাক্ষরকারী ব্যক্তি সিদ্ধান্তের পরিণতি পুরোপুরি বুঝেছিলেন কি না, তা তারা সাধারণত তদন্ত করে না। 

সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া মূল দাবিটির সঙ্গে যাচাইযোগ্য তথ্যের সবচেয়ে বড় পার্থক্য হলো ভাষার মাত্রা। ‘বাড়ি চুরি’, ‘বাবাকে মেরে বাড়ি নেওয়া’ কিংবা ‘সব টাকা নিয়ে যাওয়া’—এ ধরনের চূড়ান্ত বক্তব্য এখনো আদালতে প্রমাণিত নয়। যাচাইযোগ্য তথ্য অনুযায়ী, স্মলসের বিরুদ্ধে ঝুঁকিপূর্ণ প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিকে শোষণ, প্রতারণামূলক উদ্দেশ্যে অর্থ আত্মসাৎ এবং মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগে মামলা হয়েছে। একই সঙ্গে বাড়ির দলিল পাঁচ ডলারে তাঁর নামে যাওয়া, তাঁর ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধি হওয়া এবং অর্থ লেনদেনের তথ্য আদালতের নথিতে রয়েছে। 

২০২৪ সালের ঘটনার পর প্রায় দুই বছর পেরিয়ে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে স্মলস গ্রেপ্তার হওয়ায় মামলাটি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। নোরা রোল্যান্ড বলেছেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বাবার ঘটনা তদন্তের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। এখন তাঁর মূল লক্ষ্য বাবার বাড়ির মালিকানা নিয়ে চলমান দেওয়ানি লড়াই এবং বাবার সঙ্গে কী ঘটেছিল তার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত নিশ্চিত করা। 

সব মিলিয়ে, কনওয়ের এই ঘটনা এখন তিনটি আলাদা আইনি প্রশ্নের কেন্দ্রে রয়েছে রবার্ট রোল্যান্ড কী পরিস্থিতিতে তাঁর বাড়ির দলিলে স্বাক্ষর করেছিলেন, তাঁর আর্থিক হিসাব থেকে অর্থ নেওয়ার ঘটনাগুলোর প্রকৃত উদ্দেশ্য কী ছিল এবং তাঁর মৃত্যুর আগে ও পরে তাঁর সঙ্গে কী ধরনের আচরণ করা হয়েছিল। ফৌজদারি মামলার বিচার এবং দেওয়ানি আদালতের সিদ্ধান্তের পরই এসব প্রশ্নের চূড়ান্ত উত্তর পাওয়া যাবে।


সিএসবি নিউজ-এর আরও খবর