নিউইয়র্কে নয়, এবার যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে নজরে অভিবাসন অভিযান
আদালতের একাধিক সিদ্ধান্ত, আইসিই অভিযান এবং নতুন ভিসা নীতির কারণে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত অভিবাসীদের মধ্যে নতুন করে সতর্কতা তৈরি হয়েছে।
নিউইয়র্কে নয়, এবার যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে নজরে অভিবাসন অভিযান
যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন নীতি এখন একাধিক আদালত ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের কারণে নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। একদিকে সরকার কঠোর প্রয়োগ চালাচ্ছে, অন্যদিকে বিভিন্ন আদালত প্রশাসনের কিছু নীতিতে সীমা আরোপ করছে।
সম্প্রতি চতুর্থ সার্কিট আপিল আদালত বন্ড শুনানি ছাড়া অভিবাসীদের বাধ্যতামূলক আটকের নীতিকে বেআইনি বলে রায় দিয়েছে। একই বিষয়ে অন্য কয়েকটি আপিল আদালতের ভিন্ন সিদ্ধান্ত থাকায় বিষয়টি শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারে।
অন্যদিকে নিউইয়র্কের একটি কারখানায় আগের আইসিই অভিযানের বডি-ক্যামেরা ফুটেজ প্রকাশের পর কর্মকর্তাদের ক্ষমতার সীমা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
এর পাশাপাশি এইচ-১বি কর্মীদের চাকরি হারানোর পর থাকার সুযোগ কমানোর প্রস্তাব এবং আদমশুমারিতে অভিবাসীদের হিসাব পরিবর্তনের প্রস্তাব অভিবাসন নীতিকে আরও আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।
বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো—যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতি দ্রুত পরিবর্তনশীল। তবে বাংলাদেশি নাগরিকদের অভিবাসী ভিসা নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ইতোমধ্যেই হয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের বর্তমান তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের নাগরিকদের ওপর জানুয়ারি ২০২৬-এ দেওয়া অভিবাসী ভিসা স্থগিতাদেশ আদালতের আদেশের পর ২১ আগস্ট ২০২৬ থেকে আর কার্যকর নেই। পর্যটন ভিসা এই স্থগিতাদেশের আওতায় ছিল না।
তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া পুরোনো “বাংলাদেশিদের ভিসা বন্ধ” ধরনের তথ্য এখন সরাসরি ব্যবহার করা উচিত নয়। বর্তমান সরকারি তথ্য অনুযায়ী পরিস্থিতি পরিবর্তিত হয়েছে।