অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা, ডিপোর্টেশন নিয়ে আদালতে নতুন লড়াই

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা, ডিপোর্টেশন ঠেকাতে আদালতে আইনি লড়াই চলছে, অভিবাসীদের মধ্যে বাড়ছে নতুন উদ্বেগ।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা, ডিপোর্টেশন নিয়ে আদালতে নতুন লড়াই

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা, ডিপোর্টেশন নিয়ে আদালতে নতুন লড়াই


নিউইয়র্কের একটি ফেডারেল আদালত ব্রিটিশ অভিবাসনকর্মী ইমরান আহমেদের করা মামলা খারিজ করেছে। তিনি ট্রাম্প প্রশাসনের তাকে আটক ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কারের উদ্যোগ চ্যালেঞ্জ করেছিলেন। 

আদালত বলেছে, আহমেদের বাক্‌স্বাধীনতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে কিছু দাবি গ্রহণযোগ্য হতে পারে। তবে সাম্প্রতিক একটি আপিল আদালতের রায়ের কারণে এই মামলাটি শোনার এখতিয়ার ফেডারেল আদালতটির নেই। 

তবে আদালত আগের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা পাঁচ কর্মদিবস বহাল রেখেছে, যাতে আহমেদ উচ্চ আদালতে আপিলের সুযোগ পান। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দা এবং ওয়াশিংটনে স্ত্রী ও সন্তান নিয়ে বসবাস করেন। 

এই ঘটনা ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর অভিবাসন নীতি নিয়ে চলমান আইনি লড়াইকে আবারও সামনে এনেছে। একই সময়ে আরেকটি মামলায় আপিল আদালত রায় দিয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে আইআরএস প্রায় ৪৭ হাজার করদাতার ঠিকানা অভিবাসন কর্তৃপক্ষের কাছে দেওয়ার যে ব্যবস্থা করেছিল, তা ফেডারেল আইন লঙ্ঘন করেছে। 

তবে ইমরান আহমেদের মামলাটি সব অভিবাসী বা গ্রিন কার্ডধারীদের ডিপোর্টেশনের ওপর সাধারণ নিষেধাজ্ঞা নয়। এটি নির্দিষ্ট একজন স্থায়ী বাসিন্দাকে ঘিরে একটি আইনি মামলা। তাই যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশি অভিবাসীদের ক্ষেত্রে এই রায়কে সরাসরি সবার জন্য প্রযোজ্য নতুন ডিপোর্টেশন নিয়ম হিসেবে দেখা ঠিক হবে না।

সিএসবি নিউজ-এর আরও খবর