ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র পাল্টাপাল্টি সামরিক হামলায় হরমুজ প্রণালীতে চরম উত্তেজনা ছড়ালো
হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন নৌবাহিনীর ড্রোন ও জাহাজে ইরানের আক্রমণ এবং আমেরিকার জবাবে তিনটি তেলবাহী ট্যাংকার ধ্বংসের ঘটনায় দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও ভয়ানক হয়ে উঠেছে।
ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র পাল্টাপাল্টি সামরিক হামলায় হরমুজ প্রণালীতে চরম উত্তেজনা ছড়ালো
গত সপ্তাহে মার্কিন বিমান হামলার পর থেকেই দুই শক্তির মধ্যে সংঘাত নতুন করে বেড়ে যায়। দীর্ঘ ছয় মাস ধরে চলা এই যুদ্ধে ইরান হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে এবং আমেরিকাও আইনি ও সামরিকভাবে ইরানি বন্দরগুলোতে কঠোর অবরোধ বহাল রেখেছে। একই সঙ্গে ওয়াশিংটন ইরানের অর্থনীতির ওপর নতুন করে বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে দেশটিকে কাবু করার চেষ্টা চালাচ্ছে।
ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কোর জানিয়েছে, তারা প্রণালীতে প্রবেশ করতে যাওয়া একটি মার্কিন সামরিক ড্রোন লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। এর কিছুদিন আগেই তারা অনুমোদিত পথ অতিক্রম করার অভিযোগে তিনটি তেলবাহী ট্যাংকার এবং অন্যান্য অঞ্চলে মার্কিন জাহাজকে লক্ষ্য করে আক্রমণ করার দাবি করে। দেশটির শীর্ষ প্রতিনিধি মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ সতর্ক করে বলেছেন, আগের মতো সমান অনুপাতের বদলে এখন থেকে আমেরিকার যেকোনো পদক্ষেপের উত্তর দেওয়া হবে আরও দ্রুত, তীব্র এবং বেদনাদায়কভাবে।
অন্যদিকে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, ইরানি বাহিনীর ব্যর্থ আক্রমণের জবাবে তারা তিনটি তেলবাহী জাহাজ সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় ও ধ্বংস করে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এটিকে একটি অবৈধ নেটওয়ার্ক বলে চিহ্নিত করে বলেছে যে এটি বিশেষ সামরিক বাহিনীকে অর্থায়ন করছিল। মার্কিন সামরিক অধিনায়কদের মতে, মার্কিন জাহাজে যেকোনো হামলার অর্থ হবে দ্বিগুণ অর্থনৈতিক ক্ষতি স্বীকার করা। এই ঘটনার পর ইরানও হুশিয়ারি দিয়েছে যে হামলা না থামলে মার্কিন যুদ্ধজাহাজের ওপর আঘাত আরও কঠিন রূপ নেবে।