
সিএসবি নিউজ ইউএসএ
মুক্ত মত প্রকাশের প্লাটফর্ম
Saifur Rahman · ১০:১২ পূর্বাহ্ণ
ভারতে সাম্প্রতিক সময়ে আলোচনায় উঠে এসেছে তথাকথিত “ককরোচ জনতা পার্টি” এবং তরুণদের প্রতিবাদ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিলেও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের আন্দোলনের মাধ্যমে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করা বাস্তবসম্মত নয়। বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র হিসেবে ভারতে সরকার পরিবর্তনের সাংবিধানিক পথ হলো নির্বাচন এবং সংসদীয় প্রক্রিয়া। বর্তমান সরকার শক্তিশালী সাংগঠনিক ভিত্তি, বিস্তৃত জনসমর্থন এবং সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতার ওপর প্রতিষ্ঠিত। ফলে অনলাইন জনপ্রিয়তা বা সীমিত পরিসরের আন্দোলনকে তাৎক্ষণিকভাবে সরকার পরিবর্তনের সক্ষম রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। বরং এই আন্দোলনকে তরুণদের ক্ষোভ ও কিছু নীতিগত সংস্কারের দাবির বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখছেন পর্যবেক্ষকরা।
ভারতের সাম্প্রতিক ছাত্র ও তরুণদের আন্দোলন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। “ককরোচ জনতা পার্টি” নামটি শুরুতে ব্যঙ্গাত্মক প্রতিক্রিয়া হিসেবে সামনে এলেও পরে এটি কিছু বিক্ষুব্ধ তরুণের প্রতীকী পরিচয়ে পরিণত হয়েছে। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই আন্দোলন তাৎক্ষণিকভাবে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার বা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অবস্থানকে বড় ধরনের রাজনৈতিক সংকটে ফেলবে—এমন সম্ভাবনা খুবই সীমিত। কেন এই আন্দোলনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম? প্রথমত, ভারতের সাংবিধানিক কাঠামো। ভারত একটি শক্তিশালী সংসদীয় গণতন্ত্র। কেন্দ্রীয় সরকার অপসারণের সাংবিধানিক পথ হলো লোকসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানো বা পরবর্তী সাধারণ নির্বাচনে পরাজিত হওয়া। শুধুমাত্র রাজপথের আন্দোলনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তনের সাংবিধানিক নজির ভারতে নেই। দ্বিতীয়ত, বিজেপির সাংগঠনিক শক্তি। ভারতীয় জনতা পার্টি দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক সংগঠন। জাতীয় পর্যায়ে তাদের বিস্তৃত সাংগঠনিক নেটওয়ার্ক, নির্বাচনী যন্ত্র এবং বিভিন্ন রাজ্যে শক্তিশালী উপস্থিতি রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জনপ্রিয়তা বাস্তব নির্বাচনী শক্তির সমান নয়। তৃতীয়ত, আন্দোলনের সীমিত ভৌগোলিক বিস্তার। যদিও দিল্লিসহ কয়েকটি স্থানে প্রতিবাদ হয়েছে, তা এখনো সর্বভারতীয় গণআন্দোলনের রূপ নেয়নি। ভারতের মতো বৈচিত্র্যময় দেশে সরকারবিরোধী আন্দোলন কার্যকর হতে হলে বিভিন্ন রাজ্য, ভাষাভিত্তিক অঞ্চল এবং সামাজিক গোষ্ঠীর ব্যাপক সমর্থন প্রয়োজন। চতুর্থত, বিরোধীদের বিভক্ত অবস্থান।…
বিস্তারিত পড়ুন →
বিশ্ব
হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াতে ট্যাংকার ক্রুদের ৬ মাসের অতিরিক্ত বেতনের প্রস্তাব: প্রতিবেদন
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ায় হরমুজ প্রণালীতে নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়েছে। এ পরিস্থিতিতে বিশ্বের অন্যতম বড় সুপারট্যাংকার মালিক প্রতিষ্ঠান সিনোকর গ্রুপ (Sinokor Group) প্রণালীটি অতিক্রম করতে রাজি হওয়া জাহাজের ক্রুদের ছয় মাসের অতিরিক্ত বেতন দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে বলে সোমবার ব্লুমবার্গ জানিয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী,…
বিশ্ব
চলমান হামলার মধ্যেও যুক্তরাষ্ট্র-ইরান কূটনীতির সম্ভাবনায় তেলের দাম কমেছে: প্রতিবেদন
চলমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য কূটনৈতিক উদ্যোগের খবরে মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কিছুটা কমেছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স। প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্ভাব্য যুক্তরাষ্ট্র-ইরান মধ্যস্থতার খবরের পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে অব্যাহত সামরিক হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনাও বাজারকে প্রভাবিত করছে। এদিকে, ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা…
বিশ্ব
সেন্টকম ইরানের সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে নতুন দফার হামলা সম্পন্ন করেছে
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM) জানিয়েছে, সোমবার রাত ৯টা (ইস্টার্ন টাইম) তারা ইরানের বিরুদ্ধে নতুন দফার সামরিক হামলা সম্পন্ন করেছে। সেন্টকমের বিবৃতিতে বলা হয়, হামলায় ইরানের সামরিক কমান্ড সেন্টার, নৌ-সামরিক সক্ষমতা, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎক্ষেপণ কেন্দ্র এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা লক্ষ্যবস্তু…
বিশ্ব
ইরানে সামরিক অভিযান আরও বাড়ানোর চিন্তায় ট্রাম্প, হরমুজ ঘিরে নতুন মার্কিন হামলা
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযান আরও সম্প্রসারণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বলে মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM) জানিয়েছে, রোববার রাতে ইরানের সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে টানা নবম দফার হামলা সম্পন্ন হয়েছে। এই হামলাগুলো মূলত হরমুজ প্রণালিতে আন্তর্জাতিক নৌ-পরিবহনের জন্য হুমকি সৃষ্টি করতে পারে—এমন সামরিক সক্ষমতাকে লক্ষ্য করে পরিচালিত হয়েছে বলে জানানো…
