
সিএসবি নিউজ ইউএসএ
মুক্ত মত প্রকাশের প্লাটফর্ম
CSB News USA · ০৮:২৩ পূর্বাহ্ণ
২০২৬ সালের ২৫ জুন রাত। দক্ষিণ এশিয়ার অধিকাংশ মানুষ যখন ঘুমিয়ে, তখন বেইজিং থেকে একটি সংক্ষিপ্ত ঘোষণা আসে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং চীনের পানিসম্পদমন্ত্রী লি গুওইং তিস্তা নদী সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে সম্মত হন
২০২৬ সালের ২৫ জুন রাত। দক্ষিণ এশিয়ার অধিকাংশ মানুষ যখন ঘুমিয়ে, তখন বেইজিং থেকে একটি সংক্ষিপ্ত ঘোষণা আসে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং চীনের পানিসম্পদমন্ত্রী লি গুওইং তিস্তা নদী সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে সম্মত হন। তবে এই ঘোষণায় ভারত-বাংলাদেশের বহুদিনের অমীমাংসিত তিস্তা পানি বণ্টন চুক্তির কোনো উল্লেখ ছিল না। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে এই আলোচনা স্থবির অবস্থায় রয়েছে। আসলে এই একটি তথ্যই পুরো ঘটনার সারাংশ। যে নদী ভারত ও বাংলাদেশ চার দশক ধরে ভাগাভাগি করার চেষ্টা করছে, সেটি আজও ভাগাভাগি হয়নি। আর এই শূন্যস্থান পূরণে প্রথম পদক্ষেপ নিয়েছে ভারত বা বাংলাদেশ নয়—চীন। অনেকে এটিকে ভারতের কৌশলগত পরাজয় বা নিরাপত্তা সংকট হিসেবে দেখছেন। সেই দৃষ্টিভঙ্গি পুরোপুরি ভুল নয়, তবে অসম্পূর্ণ। প্রকৃত গল্পটি শুরু হয় বেইজিংয়ে নয়, রংপুরের ধানক্ষেতে—যেখানে কৃষকরা বছরের পর বছর শুকনো মৌসুমে তিস্তার পানিশূন্যতা এবং বর্ষায় আকস্মিক বন্যার সঙ্গে লড়াই করে আসছেন। তারা অপেক্ষা করেছেন দুই প্রতিবেশী দেশের সমঝোতার জন্য। কিন্তু সেই সমঝোতা না হওয়ায় অন্য কেউ এগিয়ে এসেছে। তিস্তার সংকট মূলত পানি নিরাপত্তা ও জলবায়ু ঝুঁকির সংকট। এর দীর্ঘমেয়াদি সমাধান কেবল ভারত…
বিস্তারিত পড়ুন →